বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাটাজোরে অবস্থিত মদিনা ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সিজারিয়ান অপারেশনের পর এক প্রসূতির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের চরম গাফিলতি ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (২২ নভেম্বর) দুপুরে এ ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
নিহত প্রসূতি মোসা. সাথী (২২) উজিরপুরের ভরষাকাঠি (আকন বাড়ি) এলাকার বাসিন্দা। পরিবার সূত্রে জানা যায়, সাথীকে শনিবার সকাল ৯টায় মদিনা ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। বিকেল ৪টায় তাকে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয় এবং ৪টা ৩০ মিনিটে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ অপারেশন সফল হয়েছে বলে স্বজনদের জানায়।
কিন্তু মাত্র ১৫ মিনিট পর, অর্থাৎ ৪টা ৪৫ মিনিটে, সাথীর হঠাৎ শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। এ সময় তিনি নিজেই অক্সিজেন দেওয়ার অনুরোধ করেন। স্বজনদের অভিযোগ—জরুরি মুহূর্তে ক্লিনিকে কোনো অক্সিজেন সিলিন্ডার ছিল না। দ্রুত অবস্থা খারাপ হতে থাকলেও চিকিৎসকসহ ক্লিনিকের কর্মীরা দায়িত্ব এড়াতে পালিয়ে যান।
ঘটনার পর ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের কারও সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি; তারা মন্তব্য দিতেও অনুপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম বলেন, “বাদীর অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
নিহতের স্বজনরা দায়িত্বহীন চিকিৎসা ব্যবস্থার কঠোর বিচার এবং ক্লিনিকটির বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।