ডেস্ক রিপোর্ট, টুডে বাংলা নিউজ ২৪ ||
গৌরনদী (বরিশাল) প্রতিনিধি: মোঃ ইয়াদুল ইসলাম গৌরনদী পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের চরগাধাতলী এলাকার ইকরা মাদ্রাসা সংলগ্ন গলিতে প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে হয়রানি ও একজাস্ট ফ্যান ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার গৌরনদী মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আগৈলঝাড়া উপজেলার ছয়গ্রাম কলেজের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম আলহাজ্ব মিয়া ইউসুফ আলীর নির্মিত বাড়িতে বসবাসরত তার মেয়ে ও গৌরনদী উপজেলা বিএনপির মহিলা দলের নেত্রী নারগিস আক্তার অভিযোগ করেন, পাশের বাড়ির বাসিন্দা ফরিদ মৃধা ও তার ছেলে মাহিম দীর্ঘদিন ধরে তাদের নানাভাবে হয়রানি করে আসছেন।তিনি জানান, ছোটবেলা থেকেই ওই বাড়িতে বসবাস করলেও প্রতিবেশী ফরিদ মৃধা প্রায়ই অশালীন আচরণ ও হুমকি প্রদান করতেন। দীর্ঘদিন বিষয়টি সহ্য করলেও সাম্প্রতিক সময়ে হয়রানির মাত্রা বেড়ে গেছে। এর ফলে গত দুই বছর ধরে তাদের বাসায় ভাড়াটিয়া রাখতে সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।নারগিস আক্তার আরও অভিযোগ করেন, ফরিদ মৃধা তাদের রান্নাঘরের একজাস্ট ফ্যান একাধিকবার ভাঙচুর করেছেন। এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি প্রকাশ্যে স্বীকার করলেও কোনো অনুশোচনা প্রকাশ করেননি। সর্বশেষ গত ১৭ এপ্রিল রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে একজাস্ট ফ্যান ভাঙচুর করা হয়। পরে তা মেরামত করা হলেও একই দিন সকাল ৮টার দিকে আবার লাঠি দিয়ে আঘাত করে একজাস্ট ফ্যান ভেঙে ফেলে দেওয়া হয়।ঘটনার সময় বাসার ভাড়াটিয়া মেরিন ইঞ্জিনিয়ার রিফাতের স্ত্রী রান্না করছিলেন। তিনি জানান, দক্ষিণ পাশের জানালা দিয়ে ফরিদ মৃধা লাঠি দিয়ে ফ্যানটি ভেঙে ফেলেন। এ সময় ভাঙা ফ্যান তার হাতের উপর পড়ে গেলে তিনি আহত হন। অল্পের জন্য বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পান। এছাড়া রান্নার সময় জানালা দিয়ে তাকিয়ে থাকার ঘটনাও তাকে বিব্রত করেছে বলে জানান তিনি।এ ঘটনায় নারগিস আক্তার গৌরনদী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। স্থানীয়দের মতে, দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ না হলে পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কা রয়েছে।তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত ফরিদ মৃধার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।