আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার ২ নম্বর বার্থী ইউনিয়নে গণসংযোগ ও মতবিনিময় করেছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শরীফ সাহাবুব হাসান। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে বার্থী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বার্থী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ গণসংযোগ অনুষ্ঠিত হয়।
গণসংযোগকালে শরীফ সাহাবুব হাসান স্থানীয় ব্যবসায়ী, বাসিন্দা, তরুণ সমাজ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। একই সঙ্গে তিনি এলাকার বিভিন্ন সমস্যা, নাগরিক সুবিধার ঘাটতি, যোগাযোগব্যবস্থা, শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নসহ স্থানীয়দের নানা প্রত্যাশার কথা শোনেন।
শরীফ সাহাবুব হাসান গৌরনদী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এবং টরকী বন্দর বণিক সমিতির সভাপতি। দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার পাশাপাশি ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে তার যোগাযোগ রয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা।
গণসংযোগকে কেন্দ্র করে বার্থী বাসস্ট্যান্ড ও আশপাশের এলাকায় উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। আয়োজকদের দাবি, কর্মসূচিতে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেন। তাদের হিসাব অনুযায়ী, গণসংযোগে প্রায় এক হাজার মানুষের উপস্থিতি ছিল।
এ সময় স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, শরীফ সাহাবুব হাসান দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক কারণে তিনি বিভিন্ন হামলা ও মামলার শিকার হয়েছেন বলেও তারা দাবি করেন। তাদের ভাষ্য, তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। ফলে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে তিনি এলাকায় ইতোমধ্যে একটি গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করেছেন।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলেন, বার্থী বাসস্ট্যান্ড এলাকার ব্যবসা-বাণিজ্য ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নের পাশাপাশি বাজারের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে এসব বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়ার প্রত্যাশা করেন তারা।
গণসংযোগকালে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শরীফ সাহাবুব হাসান বলেন, আমি এলাকার মানুষের পাশে থেকে তাদের সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা শুনতে চাই। বার্থী ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন, যোগাযোগব্যবস্থার উন্নতি, শিক্ষা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেওয়াই আমার লক্ষ্য। জনগণ আমাকে সুযোগ দিলে তাদের মতামত ও পরামর্শকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে চাই।
তিনি আরও বলেন, ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডের মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে এলাকার বাস্তব সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। উন্নয়নের পাশাপাশি একটি শান্তিপূর্ণ, জনবান্ধব ও সেবামুখী ইউনিয়ন গড়ে তুলতে তিনি কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
গণসংযোগ শেষে স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় ও কুশল বিনিময় করেন তিনি। এ সময় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, ব্যবসায়ী, যুবসমাজ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।