খালেদা জিয়ার নামে যুক্তরাষ্ট্রে সড়কের নামকরণ: প্রবাসে বাংলাদেশের নেতৃত্ব ও গণতন্ত্রের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।
সদ্য প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নামে যুক্তরাষ্ট্রে একটি সড়কের নামকরণ করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের হ্যামট্রমিক শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ ‘কারপেন্টার স্ট্রিট’ এখন থেকে তার নামেই পরিচিত হবে। শহর কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে এই নামকরণ কার্যকর হয়।
এই সিদ্ধান্তকে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ঐতিহাসিক ও গর্বের মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, এটি শুধু একটি সড়কের নাম পরিবর্তন নয়; বরং বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস, নেতৃত্ব ও গণতান্ত্রিক সংগ্রামের প্রতি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এক অনন্য স্বীকৃতি। প্রবাসী সমাজের নেতারা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশে একজন বাংলাদেশি নেত্রীর নামে রাস্তার নামকরণ বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের ভাবমূর্তিকে আরও উজ্জ্বল করবে।
হ্যামট্রমিক সিটি কাউন্সিল সূত্রে জানা গেছে, জোসেফ ক্যাম্পাও ও কোনাল্ট স্ট্রিটের মধ্যবর্তী অংশটি বেগম খালেদা জিয়ার নামে নামকরণের প্রস্তাব সম্প্রতি সিটি কাউন্সিলে উত্থাপন করা হয় এবং সর্বসম্মতিক্রমে তা অনুমোদিত হয়। বর্তমানে এই কাউন্সিলে চারজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কাউন্সিলর দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের সক্রিয় উদ্যোগ ও সমন্বিত প্রচেষ্টার ফলেই এই নামকরণ সম্ভব হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
প্রবাসীদের মতে, এই উদ্যোগ নতুন প্রজন্মের বাংলাদেশি-আমেরিকানদের মধ্যে দেশের ইতিহাস, রাজনৈতিক আন্দোলন এবং বেগম খালেদা জিয়ার রাষ্ট্রনায়কসুলভ ভূমিকা সম্পর্কে জানার আগ্রহ বাড়াবে। তারা মনে করেন, প্রবাসে বেড়ে ওঠা তরুণদের শিকড়ের সঙ্গে সংযোগ দৃঢ় করতেও এ ধরনের স্বীকৃতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের কোনো নেতার নামে রাস্তার নামকরণ এটাই প্রথম নয়। এর আগে শিকাগো শহরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নামে একটি সড়কের নামকরণ করা হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় এবার মিশিগান অঙ্গরাজ্যেও যুক্ত হলো খালেদা জিয়ার নাম, যা প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস ও আনন্দের সৃষ্টি করেছে।
বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বের এমন স্বীকৃতিকে প্রবাসীরা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি অনুপ্রেরণামূলক দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন এবং এটিকে বাংলাদেশের ইতিহাসে এক স্মরণীয় অধ্যায় হিসেবে আখ্যায়িত করছেন।
বিষয় : বেগম খালেদা জিয়া যুক্তরাষ্ট্র
.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জানুয়ারি ২০২৬
খালেদা জিয়ার নামে যুক্তরাষ্ট্রে সড়কের নামকরণ: প্রবাসে বাংলাদেশের নেতৃত্ব ও গণতন্ত্রের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।
সদ্য প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নামে যুক্তরাষ্ট্রে একটি সড়কের নামকরণ করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের হ্যামট্রমিক শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ ‘কারপেন্টার স্ট্রিট’ এখন থেকে তার নামেই পরিচিত হবে। শহর কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে এই নামকরণ কার্যকর হয়।
এই সিদ্ধান্তকে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ঐতিহাসিক ও গর্বের মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, এটি শুধু একটি সড়কের নাম পরিবর্তন নয়; বরং বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস, নেতৃত্ব ও গণতান্ত্রিক সংগ্রামের প্রতি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এক অনন্য স্বীকৃতি। প্রবাসী সমাজের নেতারা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশে একজন বাংলাদেশি নেত্রীর নামে রাস্তার নামকরণ বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের ভাবমূর্তিকে আরও উজ্জ্বল করবে।
হ্যামট্রমিক সিটি কাউন্সিল সূত্রে জানা গেছে, জোসেফ ক্যাম্পাও ও কোনাল্ট স্ট্রিটের মধ্যবর্তী অংশটি বেগম খালেদা জিয়ার নামে নামকরণের প্রস্তাব সম্প্রতি সিটি কাউন্সিলে উত্থাপন করা হয় এবং সর্বসম্মতিক্রমে তা অনুমোদিত হয়। বর্তমানে এই কাউন্সিলে চারজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কাউন্সিলর দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের সক্রিয় উদ্যোগ ও সমন্বিত প্রচেষ্টার ফলেই এই নামকরণ সম্ভব হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
প্রবাসীদের মতে, এই উদ্যোগ নতুন প্রজন্মের বাংলাদেশি-আমেরিকানদের মধ্যে দেশের ইতিহাস, রাজনৈতিক আন্দোলন এবং বেগম খালেদা জিয়ার রাষ্ট্রনায়কসুলভ ভূমিকা সম্পর্কে জানার আগ্রহ বাড়াবে। তারা মনে করেন, প্রবাসে বেড়ে ওঠা তরুণদের শিকড়ের সঙ্গে সংযোগ দৃঢ় করতেও এ ধরনের স্বীকৃতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের কোনো নেতার নামে রাস্তার নামকরণ এটাই প্রথম নয়। এর আগে শিকাগো শহরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নামে একটি সড়কের নামকরণ করা হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় এবার মিশিগান অঙ্গরাজ্যেও যুক্ত হলো খালেদা জিয়ার নাম, যা প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস ও আনন্দের সৃষ্টি করেছে।
বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বের এমন স্বীকৃতিকে প্রবাসীরা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি অনুপ্রেরণামূলক দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন এবং এটিকে বাংলাদেশের ইতিহাসে এক স্মরণীয় অধ্যায় হিসেবে আখ্যায়িত করছেন।
.png)
আপনার মতামত লিখুন