ফেসবুকে ফেক আইডি দিয়ে সংগঠিত অপপ্রচার দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি।বরিশালের গৌরনদী উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জনাব বদিউজ্জামান মিন্টুর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিকল্পিত অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিজের সম্মান ও নিরাপত্তা রক্ষার্থে আজ শনিবার (১৮ এপ্রিল ২০২৬) গৌরনদী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায় সম্প্রতি একটি স্বার্থান্বেষী মহল ফেসবুকে একাধিক ভুয়া আইডি খুলে বদিউজ্জামান মিন্টুকে জড়িয়ে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর পোস্ট ছড়িয়ে দিচ্ছে। এসব পোস্টে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত ইমেজ ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তার অনুসারীরা।এ বিষয়ে বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বদিউজ্জামান মিন্টু গৌরনদীর একজন পরিচ্ছন্ন ও ত্যাগী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। দলের দুঃসময়ে তিনি সবসময় রাজপথে সক্রিয় ছিলেন। তার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়েই একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে।তারা আরও বলেন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো একটি গুরুতর অপরাধ। যারা এসব অপপ্রচারে জড়িত, তাদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা জরুরি।নেতাকর্মীদের মতে সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি ও নেতাদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে ব্যবহার করা হচ্ছে, যা গণতান্ত্রিক পরিবেশের জন্য হুমকি। এ ধরনের কর্মকাণ্ড রোধে প্রশাসনের আরও সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন বলেও তারা মনে করেন।এদিকে থানায় জিডি দায়েরের পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করছে বলে জানা গেছে। প্রযুক্তির সহায়তায় ভুয়া আইডিগুলোর উৎস খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে।বদিউজ্জামান মিন্টুর সমর্থকরা সকলকে গুজবে কান না দিয়ে যাচাই-বাছাই করে তথ্য গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। তারা বলেন, একটি মহল ইচ্ছাকৃতভাবে বিভ্রান্তি ছড়াতে চাচ্ছে। তাই সচেতন নাগরিক হিসেবে আমাদের দায়িত্ব সত্য-মিথ্যা যাচাই করে তবেই কোনো কিছু শেয়ার করা।শেষে তারা বলেন গৌরনদীর জনগণ সবসময় সত্যের পক্ষে ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলারও আহ্বান জানান তারা।