ব্রাহ্মণবাড়িয়া জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া শতাধিক শিক্ষার্থী আনুষ্ঠানিকভাবে ছাত্রদল-এ যোগ দিয়েছেন। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল, যিনি বিএনপি’র কেন্দ্রীয় অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক ও জেলা বিএনপি’র সভাপতি।
অনুষ্ঠানে তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। পরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত ছাত্র-জনতা ও প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া’র স্মরণে ও সম্মানে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল বলেন, ছাত্ররা এগিয়ে না এলে জুলাই গণঅভ্যুত্থান হতো না, এই ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনও সম্ভব হতো না। ছাত্ররা সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছে। শুরুতে ছাত্ররাই নেতৃত্বে ছিল, পরে ফ্যাসিবাদবিরোধী সব শক্তি নেপথ্যে থেকে তাদের সহায়তা করেছে। ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দরাও অনুপ্রেরণা ও সহযোগিতা দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, আগামী দিনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে ধরে রাখতে হবে। কিন্তু বাস্তবতা হলো—যে চেতনা নিয়ে এই অভ্যুত্থান হয়েছিল, তা আজ ম্লান হয়ে যাচ্ছে। প্রশাসনসহ নানা জায়গায় ফ্যাসিস্ট বাস্তবতায় ফিরে যাওয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে।
ফ্যাসিস্টদের করা কাজের পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে—সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এই অভ্যুত্থান পাওয়া ও জয়লাভ করা অত্যন্ত সৌভাগ্যের। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যারা সাহসিকতার সঙ্গে লড়াই করেছে, তাদের নেতৃত্ব শুধু শহরে নয়, সারাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে।
ছাত্রদলে নতুনভাবে যোগ দেওয়া বিপ্লবী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে সংগঠনকে সময়োপযোগী করে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করে তিনি বলেন, তাদের সঙ্গে নিয়ে ছাত্রদলকে পুরোনো ধাঁচ থেকে বের করে একটি নতুন, আধুনিক ও কার্যকর ছাত্রসংগঠনে রূপান্তর করা হবে।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রস্তাবিত সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সংস্কারের যে কথা বলা হচ্ছে, তার ভিত্তি বিএনপি’র চেয়ারম্যান ২০২৩ সালের ১৩ জুলাই ঘোষিত ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাবেই রয়েছে। এতে প্রমাণ হয়—রাষ্ট্রগঠনে তাঁর চিন্তা-ভাবনা সময়োপযোগী ও বাস্তবসম্মত।
বিষয় : জুলাই গণঅভ্যুত্থান BNP ব্রাহ্মণবাড়িয়া
.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জানুয়ারি ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া শতাধিক শিক্ষার্থী আনুষ্ঠানিকভাবে ছাত্রদল-এ যোগ দিয়েছেন। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল, যিনি বিএনপি’র কেন্দ্রীয় অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক ও জেলা বিএনপি’র সভাপতি।
অনুষ্ঠানে তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। পরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত ছাত্র-জনতা ও প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া’র স্মরণে ও সম্মানে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল বলেন, ছাত্ররা এগিয়ে না এলে জুলাই গণঅভ্যুত্থান হতো না, এই ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনও সম্ভব হতো না। ছাত্ররা সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছে। শুরুতে ছাত্ররাই নেতৃত্বে ছিল, পরে ফ্যাসিবাদবিরোধী সব শক্তি নেপথ্যে থেকে তাদের সহায়তা করেছে। ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দরাও অনুপ্রেরণা ও সহযোগিতা দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, আগামী দিনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে ধরে রাখতে হবে। কিন্তু বাস্তবতা হলো—যে চেতনা নিয়ে এই অভ্যুত্থান হয়েছিল, তা আজ ম্লান হয়ে যাচ্ছে। প্রশাসনসহ নানা জায়গায় ফ্যাসিস্ট বাস্তবতায় ফিরে যাওয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে।
ফ্যাসিস্টদের করা কাজের পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে—সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এই অভ্যুত্থান পাওয়া ও জয়লাভ করা অত্যন্ত সৌভাগ্যের। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যারা সাহসিকতার সঙ্গে লড়াই করেছে, তাদের নেতৃত্ব শুধু শহরে নয়, সারাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে।
ছাত্রদলে নতুনভাবে যোগ দেওয়া বিপ্লবী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে সংগঠনকে সময়োপযোগী করে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করে তিনি বলেন, তাদের সঙ্গে নিয়ে ছাত্রদলকে পুরোনো ধাঁচ থেকে বের করে একটি নতুন, আধুনিক ও কার্যকর ছাত্রসংগঠনে রূপান্তর করা হবে।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রস্তাবিত সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সংস্কারের যে কথা বলা হচ্ছে, তার ভিত্তি বিএনপি’র চেয়ারম্যান ২০২৩ সালের ১৩ জুলাই ঘোষিত ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাবেই রয়েছে। এতে প্রমাণ হয়—রাষ্ট্রগঠনে তাঁর চিন্তা-ভাবনা সময়োপযোগী ও বাস্তবসম্মত।
.png)
আপনার মতামত লিখুন