গৌরনদীতে ভ্যানচালককে নির্মমভাবে হত্যার প্রতিবাদে ঢাকা–বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত গৌরনদী উপজেলার কাসেমাবাদ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
অবরোধের ফলে কাসেমাবাদ বাসস্ট্যান্ডের দুই প্রান্তে প্রায় তিন কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে দক্ষিণাঞ্চলগামী ও উত্তরাঞ্চলগামী শতাধিক দূরপাল্লার যাত্রীবাহী যানবাহন আটকা পড়ে। দীর্ঘ সময় সড়কে দাঁড়িয়ে থাকায় যাত্রীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়।
নিহত ভ্যানচালকের নাম মো. মঞ্জু বেপারী (৫০)। তিনি গৌরনদী উপজেলার পূর্ব কাসেমাবাদ গ্রামের মৃত আব্দুর রশিদ বেপারীর ছেলে। গত শনিবার (১০ জানুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে দুর্বৃত্তরা তাকে কুপিয়ে হত্যা করে। এ সময় তার সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা ছিনতাই করা হয়।
ঘটনার ৭২ ঘণ্টা পার হলেও হত্যাকাণ্ডে জড়িত কাউকে গ্রেপ্তার করতে না পারায় নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বাড়ছে। বিক্ষোভকারীরা বলেন, দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না করা হলে আন্দোলন আরও কঠোর করা হবে। তারা প্রশ্ন তুলেন, একটি নির্মম হত্যাকাণ্ডের পরও যদি অপরাধীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকে, তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়?
এ বিষয়ে গৌরনদী থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে পুলিশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে এবং খুব শিগগিরই জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।
.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জানুয়ারি ২০২৬
গৌরনদীতে ভ্যানচালককে নির্মমভাবে হত্যার প্রতিবাদে ঢাকা–বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত গৌরনদী উপজেলার কাসেমাবাদ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
অবরোধের ফলে কাসেমাবাদ বাসস্ট্যান্ডের দুই প্রান্তে প্রায় তিন কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে দক্ষিণাঞ্চলগামী ও উত্তরাঞ্চলগামী শতাধিক দূরপাল্লার যাত্রীবাহী যানবাহন আটকা পড়ে। দীর্ঘ সময় সড়কে দাঁড়িয়ে থাকায় যাত্রীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়।
নিহত ভ্যানচালকের নাম মো. মঞ্জু বেপারী (৫০)। তিনি গৌরনদী উপজেলার পূর্ব কাসেমাবাদ গ্রামের মৃত আব্দুর রশিদ বেপারীর ছেলে। গত শনিবার (১০ জানুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে দুর্বৃত্তরা তাকে কুপিয়ে হত্যা করে। এ সময় তার সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা ছিনতাই করা হয়।
ঘটনার ৭২ ঘণ্টা পার হলেও হত্যাকাণ্ডে জড়িত কাউকে গ্রেপ্তার করতে না পারায় নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বাড়ছে। বিক্ষোভকারীরা বলেন, দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না করা হলে আন্দোলন আরও কঠোর করা হবে। তারা প্রশ্ন তুলেন, একটি নির্মম হত্যাকাণ্ডের পরও যদি অপরাধীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকে, তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়?
এ বিষয়ে গৌরনদী থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে পুলিশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে এবং খুব শিগগিরই জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন