মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলা রমজানপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর রমজানপুর গ্রামে দলিল উদ্দিনের ছেলে আল হাদিসের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অজুহাতে একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, আল হাদিস ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সমস্যার কথা বলে এলাকাবাসীর কাছ থেকে আর্থিক সহায়তা নিতেন। কখনও অসুস্থতার কথা, কখনও পারিবারিক সংকট কিংবা জরুরি প্রয়োজনে টাকার দরকার এমন নানা কারণ দেখিয়ে তিনি মানবিক সহানুভূতি আদায় করতেন। অনেকেই মানবিক দিক বিবেচনায় তাকে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করেন।
ভুক্তভোগীদের ভাষ্য অনুযায়ী, টাকা নেওয়ার পর তার সঙ্গে যোগাযোগ করা কঠিন হয়ে পড়ে। একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি সাড়া দেন না। কেউ কেউ জানান, বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করলে তাদের নম্বর ব্লক করে দেওয়া হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুধু উত্তর রমজানপুর নয়, ঝুরগাঁওসহ আশপাশের কয়েকটি এলাকার বাসিন্দারাও একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। ফলে বিষয়টি এখন বৃহত্তর পরিসরে আলোচনায় এসেছে।
তবে অভিযুক্ত আল হাদিসের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হয়নি। ফলে অভিযোগের বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে এখনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
বিষয় : রমজানপুর
.png)
রোববার, ০১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলা রমজানপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর রমজানপুর গ্রামে দলিল উদ্দিনের ছেলে আল হাদিসের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অজুহাতে একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, আল হাদিস ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সমস্যার কথা বলে এলাকাবাসীর কাছ থেকে আর্থিক সহায়তা নিতেন। কখনও অসুস্থতার কথা, কখনও পারিবারিক সংকট কিংবা জরুরি প্রয়োজনে টাকার দরকার এমন নানা কারণ দেখিয়ে তিনি মানবিক সহানুভূতি আদায় করতেন। অনেকেই মানবিক দিক বিবেচনায় তাকে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করেন।
ভুক্তভোগীদের ভাষ্য অনুযায়ী, টাকা নেওয়ার পর তার সঙ্গে যোগাযোগ করা কঠিন হয়ে পড়ে। একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি সাড়া দেন না। কেউ কেউ জানান, বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করলে তাদের নম্বর ব্লক করে দেওয়া হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুধু উত্তর রমজানপুর নয়, ঝুরগাঁওসহ আশপাশের কয়েকটি এলাকার বাসিন্দারাও একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। ফলে বিষয়টি এখন বৃহত্তর পরিসরে আলোচনায় এসেছে।
তবে অভিযুক্ত আল হাদিসের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হয়নি। ফলে অভিযোগের বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে এখনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
.png)
আপনার মতামত লিখুন