বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা এ মিথ্যা অভিযোগে মামলা দায়েরের পর দুই সহোদর শিক্ষার্থী পালিয়ে বেড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে আত্মগোপন থেকে বেরিয়ে নিজ বাড়িতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এ অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন লিমন হাওলাদার। তিনি অভিযোগ করে বলেন, উপজেলার বাগধা ইউনিয়ন-এর আস্কর গ্রামের লক্ষ্মণ মিস্ত্রীর ছেলে অশোক মিস্ত্রি পূর্বশত্রুতার জের ধরে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি থানায় তার এবং ছোট ভাই ফকুর বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় তাদের বিরুদ্ধে এয়ারগান দিয়ে অবৈধভাবে পাখি শিকার এবং হামলার অভিযোগ আনা হয়েছে।
লিমনের দাবি, তাদের কারও কাছেই কোনো এয়ারগান নেই এবং তারা কখনও এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত নন। তিনি জানান, তিনি ঢাকা কলেজ-এর এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী এবং তার ছোট ভাই আস্কর স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির ছাত্র।
তিনি আরও বলেন, ঘটনার দিন তিনি মামার বাড়ি উজিরপুর উপজেলার সাতলা গ্রামে অবস্থান করছিলেন। ফলে মামলার সময় তারা এলাকায় উপস্থিত ছিলেন না।
সংবাদ সম্মেলনে লিমন অভিযোগ করেন, প্রায় সাত বছর আগে ইঁদুর মারার জন্য জমিতে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার ঘটনায় তার চাচাতো ভাই জিয়া হাওলাদার বিদ্যুতায়িত হয়ে গুরুতর আহত হন। পরে তার দুই হাতের কবজি কেটে ফেলতে হয় এবং তিনি স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্ববরণ করেন। ওই ঘটনার পর থেকেই অশোক মিস্ত্রি তাদের পরিবারের প্রতি ক্ষুব্ধ ছিলেন। সেই পূর্বশত্রুতার জের ধরেই পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা মামলা দিয়ে তাদের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ণ, শিক্ষাজীবন বিপন্ন ও মানসিকভাবে হয়রানি করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
লিমন প্রশাসনের প্রতি সুষ্ঠু তদন্তের আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের মাধ্যমে হয়রানির হাত থেকে তাদের রক্ষা করে স্বাভাবিক শিক্ষাজীবন চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করা হোক।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক ইউপি সদস্য জয়নাল হাওলাদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু হানিফ হাওলাদার, স্কুল শিক্ষিকা শাহিদা বখতিয়ার, কবির হাওলাদার, আলমগীর হাওলাদার, নুপুর বেগম, রেজাউল করিম, জাহাঙ্গীর হাওলাদারসহ স্থানীয় শতাধিক নারী-পুরুষ।
.png)
রোববার, ০১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা এ মিথ্যা অভিযোগে মামলা দায়েরের পর দুই সহোদর শিক্ষার্থী পালিয়ে বেড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে আত্মগোপন থেকে বেরিয়ে নিজ বাড়িতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এ অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন লিমন হাওলাদার। তিনি অভিযোগ করে বলেন, উপজেলার বাগধা ইউনিয়ন-এর আস্কর গ্রামের লক্ষ্মণ মিস্ত্রীর ছেলে অশোক মিস্ত্রি পূর্বশত্রুতার জের ধরে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি থানায় তার এবং ছোট ভাই ফকুর বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় তাদের বিরুদ্ধে এয়ারগান দিয়ে অবৈধভাবে পাখি শিকার এবং হামলার অভিযোগ আনা হয়েছে।
লিমনের দাবি, তাদের কারও কাছেই কোনো এয়ারগান নেই এবং তারা কখনও এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত নন। তিনি জানান, তিনি ঢাকা কলেজ-এর এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী এবং তার ছোট ভাই আস্কর স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির ছাত্র।
তিনি আরও বলেন, ঘটনার দিন তিনি মামার বাড়ি উজিরপুর উপজেলার সাতলা গ্রামে অবস্থান করছিলেন। ফলে মামলার সময় তারা এলাকায় উপস্থিত ছিলেন না।
সংবাদ সম্মেলনে লিমন অভিযোগ করেন, প্রায় সাত বছর আগে ইঁদুর মারার জন্য জমিতে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার ঘটনায় তার চাচাতো ভাই জিয়া হাওলাদার বিদ্যুতায়িত হয়ে গুরুতর আহত হন। পরে তার দুই হাতের কবজি কেটে ফেলতে হয় এবং তিনি স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্ববরণ করেন। ওই ঘটনার পর থেকেই অশোক মিস্ত্রি তাদের পরিবারের প্রতি ক্ষুব্ধ ছিলেন। সেই পূর্বশত্রুতার জের ধরেই পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা মামলা দিয়ে তাদের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ণ, শিক্ষাজীবন বিপন্ন ও মানসিকভাবে হয়রানি করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
লিমন প্রশাসনের প্রতি সুষ্ঠু তদন্তের আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের মাধ্যমে হয়রানির হাত থেকে তাদের রক্ষা করে স্বাভাবিক শিক্ষাজীবন চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করা হোক।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক ইউপি সদস্য জয়নাল হাওলাদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু হানিফ হাওলাদার, স্কুল শিক্ষিকা শাহিদা বখতিয়ার, কবির হাওলাদার, আলমগীর হাওলাদার, নুপুর বেগম, রেজাউল করিম, জাহাঙ্গীর হাওলাদারসহ স্থানীয় শতাধিক নারী-পুরুষ।
.png)
আপনার মতামত লিখুন