মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে পৃথক দুটি ঘটনায় ইয়াবা ও গাঁজাসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে গৌরনদী মডেল থানা পুলিশ। বুধবার (১৯ নভেম্বর ২০২৫) দুপুর ও সন্ধ্যায় এসব অভিযান পরিচালিত হয়।
পুলিশ জানায়, থানার জিডি নং–৭২৬ এর সূত্র ধরে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে গৌরনদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লাখেরাজ কসবার আকুব্বর সরদারের পুরাতন পানের বরজের পাশে একটি টংঘরে মাদক সেবন ও বিক্রি চলছে—এমন তথ্যের ভিত্তিতে এসআই (নিঃ) আরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশ দল সেখানে অভিযান চালায়।
পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনজন দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে দুইজনকে ঘটনাস্থলেই আটক করা হয়। তারা হলেন—
১. মো. মিরাজ বেপারী (২৫)
২. মো. রাহাত লাদেন সরদার (২২)
তাদের সহযোগী মো. শাহাদুল সরদার (৩৫) পালিয়ে যায়। পরে আটক দুইজনের দেহ তল্লাশিতে মিরাজের কাছ থেকে ৬ পিস ইয়াবা, রাহাতের কাছ থেকে ৪ পিস ইয়াবা এবং বিক্রির কাজে ব্যবহৃত একটি ফয়েল রোল উদ্ধার করা হয়। জব্দকৃত ১০ পিস ইয়াবার ওজন ১ গ্রাম, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩ হাজার টাকা।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দুইজনই স্বীকার করেছে যে পলাতক শাহাদুলের সহযোগিতায় তারা দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা পাচার ও বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮-এর ৩৬(১) সারণির ১০(ক)/৪১ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এদিকে একই দিনে দুপুর সোয়া ১টার দিকে থানার জিডি নং–৭০৪ এর সূত্র ধরে গৌরনদীর চর গাধাতলী এলাকায় আরও একটি অভিযান পরিচালনা করেন এসআই (নিঃ) মো. সোহেল মোল্লা। স্থানীয় একটি ওয়ার্কশপের সামনে দুই ব্যক্তি মাদকসহ অবস্থান করছে—এমন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়।
পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলে দুইজনকে আটক করা হয়। তারা হলেন—
১. মনির হাওলাদার (৩৫)
২. সোহেল বেপারী (৪২)
জিজ্ঞাসাবাদে মনির হাওলাদার তার কাছে গাঁজা থাকার কথা স্বীকার করে। পরে তার হাতে থাকা কালো ব্যাগ থেকে ১০০ গ্রাম গাঁजा উদ্ধার করা হয়, যার বাজারমূল্য প্রায় ৫ হাজার টাকা। অপর আসামি সোহেলের কাছ থেকে কিছু না মিললেও তিনি মনিরের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে গাঁজা বিক্রির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন।
উদ্ধারকৃত গাঁজার মধ্যে ৫ গ্রাম নমুনা হিসেবে আলাদা করে সংরক্ষণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮-এর ৩৬(১) সারণির ১৯(ক)/৪১ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, “মাদক নির্মূলে আমাদের অভিযান আরও জোরদার করা হবে। পলাতক আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।”
.png)
সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫
প্রকাশের তারিখ : ২০ নভেম্বর ২০২৫
মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে পৃথক দুটি ঘটনায় ইয়াবা ও গাঁজাসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে গৌরনদী মডেল থানা পুলিশ। বুধবার (১৯ নভেম্বর ২০২৫) দুপুর ও সন্ধ্যায় এসব অভিযান পরিচালিত হয়।
পুলিশ জানায়, থানার জিডি নং–৭২৬ এর সূত্র ধরে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে গৌরনদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লাখেরাজ কসবার আকুব্বর সরদারের পুরাতন পানের বরজের পাশে একটি টংঘরে মাদক সেবন ও বিক্রি চলছে—এমন তথ্যের ভিত্তিতে এসআই (নিঃ) আরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশ দল সেখানে অভিযান চালায়।
পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনজন দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে দুইজনকে ঘটনাস্থলেই আটক করা হয়। তারা হলেন—
১. মো. মিরাজ বেপারী (২৫)
২. মো. রাহাত লাদেন সরদার (২২)
তাদের সহযোগী মো. শাহাদুল সরদার (৩৫) পালিয়ে যায়। পরে আটক দুইজনের দেহ তল্লাশিতে মিরাজের কাছ থেকে ৬ পিস ইয়াবা, রাহাতের কাছ থেকে ৪ পিস ইয়াবা এবং বিক্রির কাজে ব্যবহৃত একটি ফয়েল রোল উদ্ধার করা হয়। জব্দকৃত ১০ পিস ইয়াবার ওজন ১ গ্রাম, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩ হাজার টাকা।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দুইজনই স্বীকার করেছে যে পলাতক শাহাদুলের সহযোগিতায় তারা দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা পাচার ও বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮-এর ৩৬(১) সারণির ১০(ক)/৪১ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এদিকে একই দিনে দুপুর সোয়া ১টার দিকে থানার জিডি নং–৭০৪ এর সূত্র ধরে গৌরনদীর চর গাধাতলী এলাকায় আরও একটি অভিযান পরিচালনা করেন এসআই (নিঃ) মো. সোহেল মোল্লা। স্থানীয় একটি ওয়ার্কশপের সামনে দুই ব্যক্তি মাদকসহ অবস্থান করছে—এমন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়।
পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলে দুইজনকে আটক করা হয়। তারা হলেন—
১. মনির হাওলাদার (৩৫)
২. সোহেল বেপারী (৪২)
জিজ্ঞাসাবাদে মনির হাওলাদার তার কাছে গাঁজা থাকার কথা স্বীকার করে। পরে তার হাতে থাকা কালো ব্যাগ থেকে ১০০ গ্রাম গাঁजा উদ্ধার করা হয়, যার বাজারমূল্য প্রায় ৫ হাজার টাকা। অপর আসামি সোহেলের কাছ থেকে কিছু না মিললেও তিনি মনিরের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে গাঁজা বিক্রির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন।
উদ্ধারকৃত গাঁজার মধ্যে ৫ গ্রাম নমুনা হিসেবে আলাদা করে সংরক্ষণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮-এর ৩৬(১) সারণির ১৯(ক)/৪১ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, “মাদক নির্মূলে আমাদের অভিযান আরও জোরদার করা হবে। পলাতক আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।”
.png)
আপনার মতামত লিখুন