বরিশালের গৌরনদীতে বসতবাড়িতে ঢুকে চাঁদা দাবি, হামলা, লুটপাট ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় ছাত্রদল নেতাসহ সাতজনকে আসামি করে থানায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ শুক্রবার সন্ধ্যায় পৃথক অভিযানে ছাত্রদল নেতাসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে। শনিবার তাদের আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
গ্রেপ্তার হওয়া দুইজন হলেন— টরকীর চর গ্রামের মৃত ইউসুফ হাওলাদারের ছেলে শওকত হোসেন এবং লাখেরাজ কসবা এলাকার মিজান আকনের ছেলে ও পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মেহেদী আকন।
মামলার বাদী টরকীর চর গ্রামের আজিজুল হকের স্ত্রী ছালমা আক্তার জানান, স্বামীর ওয়ারিশসূত্রে পাওয়া জমিতে দালান নির্মাণের কাজ শুরু করলে স্থানীয় মেহেদী আকন ও তার সহযোগীরা চাঁদা দাবি করতে থাকে। এর আগে ‘মিষ্টি খাওয়ার’ কথা বলে ১০ হাজার টাকা নিলেও তারা আরও বড় অঙ্কের টাকা চাইতে থাকে।
ছালমা আক্তার অভিযোগ করেন, শুক্রবার (২১ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে নির্মাণ কাজ চলাকালে শওকত, মেহেদীসহ ৭–৮ জন তার বাড়িতে আসে এবং ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। তিনি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে মারধর করা হয় এবং ঘরে থাকা স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়।
এ সময় বাঁধা দিতে এগিয়ে আসা তার দুই জাকে বেধড়ক পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয় এবং তাদের মধ্যে একজনের শ্লীলতাহানির ঘটনাও ঘটে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
ছালমা আক্তার জানান, তারা দ্রুত জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ আসার আগেই অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পরে পুলিশের সহায়তায় আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।
অভিযোগ অস্বীকার করে ছাত্রদল নেতা মেহেদী আকন বলেন,
চাঁদা দাবির ঘটনা মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমূলক। বরং আমাকে ডেকে নিয়ে মারধর করা হয়েছে। ঘটনার সত্যতা আড়াল করতে উল্টো আমাদের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে।
পুলিশের বক্তব্য ,গৌরনদী মডেল থানার এসআই জুয়েল বলেন, মামলার এজাহারভুক্ত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। শনিবার সকালে গ্রেপ্তারদের আদালতে পাঠানো হবে।
.png)
বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ নভেম্বর ২০২৫
বরিশালের গৌরনদীতে বসতবাড়িতে ঢুকে চাঁদা দাবি, হামলা, লুটপাট ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় ছাত্রদল নেতাসহ সাতজনকে আসামি করে থানায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ শুক্রবার সন্ধ্যায় পৃথক অভিযানে ছাত্রদল নেতাসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে। শনিবার তাদের আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
গ্রেপ্তার হওয়া দুইজন হলেন— টরকীর চর গ্রামের মৃত ইউসুফ হাওলাদারের ছেলে শওকত হোসেন এবং লাখেরাজ কসবা এলাকার মিজান আকনের ছেলে ও পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মেহেদী আকন।
মামলার বাদী টরকীর চর গ্রামের আজিজুল হকের স্ত্রী ছালমা আক্তার জানান, স্বামীর ওয়ারিশসূত্রে পাওয়া জমিতে দালান নির্মাণের কাজ শুরু করলে স্থানীয় মেহেদী আকন ও তার সহযোগীরা চাঁদা দাবি করতে থাকে। এর আগে ‘মিষ্টি খাওয়ার’ কথা বলে ১০ হাজার টাকা নিলেও তারা আরও বড় অঙ্কের টাকা চাইতে থাকে।
ছালমা আক্তার অভিযোগ করেন, শুক্রবার (২১ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে নির্মাণ কাজ চলাকালে শওকত, মেহেদীসহ ৭–৮ জন তার বাড়িতে আসে এবং ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। তিনি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে মারধর করা হয় এবং ঘরে থাকা স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়।
এ সময় বাঁধা দিতে এগিয়ে আসা তার দুই জাকে বেধড়ক পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয় এবং তাদের মধ্যে একজনের শ্লীলতাহানির ঘটনাও ঘটে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
ছালমা আক্তার জানান, তারা দ্রুত জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ আসার আগেই অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পরে পুলিশের সহায়তায় আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।
অভিযোগ অস্বীকার করে ছাত্রদল নেতা মেহেদী আকন বলেন,
চাঁদা দাবির ঘটনা মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমূলক। বরং আমাকে ডেকে নিয়ে মারধর করা হয়েছে। ঘটনার সত্যতা আড়াল করতে উল্টো আমাদের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে।
পুলিশের বক্তব্য ,গৌরনদী মডেল থানার এসআই জুয়েল বলেন, মামলার এজাহারভুক্ত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। শনিবার সকালে গ্রেপ্তারদের আদালতে পাঠানো হবে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন