বরিশালের হিজলা উপজেলার চরবিশোর গ্রামে ১২ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রকে লাথি মেরে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার প্রতিবেশী এক যুবকের বিরুদ্ধে। পরে মরদেহ বাড়ির পাশের খালে ফেলে দেওয়া হয়। শুক্রবার সকালে খাল থেকে লাশ উদ্ধার হলে স্থানীয়রা অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।
নিহত আরিফ রাঢ়ী (১২) হিজলা-গৌরবদী ইউনিয়নের চরবিশোর গ্রামের আনিছ রাঢ়ীর ছেলে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার মোশারফ বয়াতি (২৬) একই গ্রামের শাহজালাল বয়াতির ছেলে।
বরিশালের সহকারী পুলিশ সুপার তারেক আমান বান্না জানান, বৃহস্পতিবার এশার নামাজের আগে আরিফ মোশারফের ঘরে যায়। সে সময় মোশারফ খাটে শুয়ে ছিলেন। আরিফ তাকে নামাজ পড়তে যাওয়ার জন্য উঠতে বললে তিনি উঠতে না চাইলে আরিফ তাকে একটি চড় দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মোশারফ আরিফের বুকে লাথি মারেন। এতে ঘটনাস্থলেই আরিফের মৃত্যু হয় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। পরে মরদেহ বাড়ির পাশের খালে ফেলে দেওয়া হয়।
শুক্রবার সকাল আটটার দিকে স্বজনরা খালের পাড়ে আরিফের লাশ দেখতে পান। সন্দেহের ভিত্তিতে তারা মোশারফকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেন বলে পুলিশ জানায়।
ঘটনার পর মোশারফকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরিফের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হচ্ছে। এছাড়া মোশারফের মাকেও পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে; মামলায় নাম আসলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা।
.png)
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বরিশালের হিজলা উপজেলার চরবিশোর গ্রামে ১২ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রকে লাথি মেরে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার প্রতিবেশী এক যুবকের বিরুদ্ধে। পরে মরদেহ বাড়ির পাশের খালে ফেলে দেওয়া হয়। শুক্রবার সকালে খাল থেকে লাশ উদ্ধার হলে স্থানীয়রা অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।
নিহত আরিফ রাঢ়ী (১২) হিজলা-গৌরবদী ইউনিয়নের চরবিশোর গ্রামের আনিছ রাঢ়ীর ছেলে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার মোশারফ বয়াতি (২৬) একই গ্রামের শাহজালাল বয়াতির ছেলে।
বরিশালের সহকারী পুলিশ সুপার তারেক আমান বান্না জানান, বৃহস্পতিবার এশার নামাজের আগে আরিফ মোশারফের ঘরে যায়। সে সময় মোশারফ খাটে শুয়ে ছিলেন। আরিফ তাকে নামাজ পড়তে যাওয়ার জন্য উঠতে বললে তিনি উঠতে না চাইলে আরিফ তাকে একটি চড় দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মোশারফ আরিফের বুকে লাথি মারেন। এতে ঘটনাস্থলেই আরিফের মৃত্যু হয় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। পরে মরদেহ বাড়ির পাশের খালে ফেলে দেওয়া হয়।
শুক্রবার সকাল আটটার দিকে স্বজনরা খালের পাড়ে আরিফের লাশ দেখতে পান। সন্দেহের ভিত্তিতে তারা মোশারফকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেন বলে পুলিশ জানায়।
ঘটনার পর মোশারফকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরিফের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হচ্ছে। এছাড়া মোশারফের মাকেও পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে; মামলায় নাম আসলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা।
.png)
আপনার মতামত লিখুন