রাতে কিশোরদের রাস্তায় অযাচিত ঘোরাঘুরি বন্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, এখন থেকে রাতে কিশোররা অযথা রাস্তায় ঘোরাফেরা করলে পুলিশ তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করবে। এতে কোনো কনস্টিটিউশনাল ভায়োলেন্সের অভিযোগ উঠলে তা পরে দেখা হবে।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নিজ নির্বাচনী এলাকা চাঁদপুরের কচুয়ায় স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ নির্দেশনা দেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, কচুয়াসহ সারা দেশে কিশোর গ্যাং দমন করতে হবে এবং বাজারে চাঁদাবাজি বন্ধে নজরদারি জোরদার করতে হবে। মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
দুর্নীতির বিষয়ে কঠোর বার্তা দিয়ে এহসানুল হক মিলন বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দুর্নীতিমুক্ত না থাকতে পারলে তারা অন্যত্র বদলি হয়ে যেতে পারেন। আমি জীবনে দুর্নীতি করব না, কাউকে দুর্নীতি করতে দেব না এটি আমার প্রমিজ। যারা আমার এই অবস্থানের সঙ্গে থাকতে পারবেন না, তারা দায়িত্বে থাকতে পারবেন না, বলেন তিনি। প্রয়োজনে ভালো জায়গা দেখে বদলির ব্যবস্থাও করবেন বলেও জানান মন্ত্রী।
তিনি বলেন, কচুয়াকে একটি পবিত্র ও সুশাসনের মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে চান। দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপরও গুরুত্ব দেন মন্ত্রী। বাজার ব্যবস্থাপনায় সিসি ক্যামেরা স্থাপনের মাধ্যমে প্রশাসন ও পুলিশ আরও কার্যকরভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
সভায় উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর জেলা প্রশাসক নাজমুল ইসলাম সরকার, পুলিশ সুপার রবিউল হাসান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান রাসেল, এসিল্যান্ড আবু নাছির, ওসি বোরহান উদ্দিনসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, সাংবাদিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
মন্ত্রী বলেন, জনগণের ভালোবাসা ও আস্থাই তাকে বারবার এই আসনে নির্বাচিত করেছে। কচুয়ার মানুষের আন্তরিক সমর্থনের জন্য তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
.png)
বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রাতে কিশোরদের রাস্তায় অযাচিত ঘোরাঘুরি বন্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, এখন থেকে রাতে কিশোররা অযথা রাস্তায় ঘোরাফেরা করলে পুলিশ তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করবে। এতে কোনো কনস্টিটিউশনাল ভায়োলেন্সের অভিযোগ উঠলে তা পরে দেখা হবে।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নিজ নির্বাচনী এলাকা চাঁদপুরের কচুয়ায় স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ নির্দেশনা দেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, কচুয়াসহ সারা দেশে কিশোর গ্যাং দমন করতে হবে এবং বাজারে চাঁদাবাজি বন্ধে নজরদারি জোরদার করতে হবে। মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
দুর্নীতির বিষয়ে কঠোর বার্তা দিয়ে এহসানুল হক মিলন বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দুর্নীতিমুক্ত না থাকতে পারলে তারা অন্যত্র বদলি হয়ে যেতে পারেন। আমি জীবনে দুর্নীতি করব না, কাউকে দুর্নীতি করতে দেব না এটি আমার প্রমিজ। যারা আমার এই অবস্থানের সঙ্গে থাকতে পারবেন না, তারা দায়িত্বে থাকতে পারবেন না, বলেন তিনি। প্রয়োজনে ভালো জায়গা দেখে বদলির ব্যবস্থাও করবেন বলেও জানান মন্ত্রী।
তিনি বলেন, কচুয়াকে একটি পবিত্র ও সুশাসনের মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে চান। দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপরও গুরুত্ব দেন মন্ত্রী। বাজার ব্যবস্থাপনায় সিসি ক্যামেরা স্থাপনের মাধ্যমে প্রশাসন ও পুলিশ আরও কার্যকরভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
সভায় উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর জেলা প্রশাসক নাজমুল ইসলাম সরকার, পুলিশ সুপার রবিউল হাসান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান রাসেল, এসিল্যান্ড আবু নাছির, ওসি বোরহান উদ্দিনসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, সাংবাদিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
মন্ত্রী বলেন, জনগণের ভালোবাসা ও আস্থাই তাকে বারবার এই আসনে নির্বাচিত করেছে। কচুয়ার মানুষের আন্তরিক সমর্থনের জন্য তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
.png)
আপনার মতামত লিখুন