বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় এক কর্মচারীকে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতনের অভিযোগে ঘের মালিক শেখর বসুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার সকালে তাকে বরিশাল আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বাকাল ইউনিয়নের মৃত নরেন বসুর ছেলে শেখর বসু তার মাছের ঘেরের কর্মচারী নারায়ন হালদারকে অমানবিকভাবে নির্যাতন করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারায়ন হালদার বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) শেখর বসুকে গ্রেপ্তার করার পর তিনি জামিনে মুক্ত হয়ে কর্মচারী নারায়ন হালদারকে সন্দেহ করেন। পরে তাকে ঘেরের পাড়ের একটি ঘরে আটক রেখে রশি দিয়ে বেঁধে মারধর, মাথার চুল কেটে দেওয়া এবং অমানবিক আচরণ করা হয়। একপর্যায়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে পানি চাইলে তার সঙ্গে আরও অপমানজনক আচরণ করা হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া তার মোবাইল ফোন, টাকা ও টর্চলাইট রেখে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত শেখর বসুকে উপজেলার বাকাল ইউনিয়নের কদমবাড়ি এলাকায় নিজ মাছের ঘের থেকে শনিবার রাতে এসআই আব্দুল্লাহ আল মামুন গ্রেপ্তার করেন।
বর্তমানে গুরুতর আহত নারায়ন হালদার আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে আগৈলঝাড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুশংকর মল্লিক জানান, নির্যাতনের অভিযোগে মামলা দায়েরের পর অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
.png)
বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মার্চ ২০২৬
বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় এক কর্মচারীকে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতনের অভিযোগে ঘের মালিক শেখর বসুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার সকালে তাকে বরিশাল আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বাকাল ইউনিয়নের মৃত নরেন বসুর ছেলে শেখর বসু তার মাছের ঘেরের কর্মচারী নারায়ন হালদারকে অমানবিকভাবে নির্যাতন করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারায়ন হালদার বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) শেখর বসুকে গ্রেপ্তার করার পর তিনি জামিনে মুক্ত হয়ে কর্মচারী নারায়ন হালদারকে সন্দেহ করেন। পরে তাকে ঘেরের পাড়ের একটি ঘরে আটক রেখে রশি দিয়ে বেঁধে মারধর, মাথার চুল কেটে দেওয়া এবং অমানবিক আচরণ করা হয়। একপর্যায়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে পানি চাইলে তার সঙ্গে আরও অপমানজনক আচরণ করা হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া তার মোবাইল ফোন, টাকা ও টর্চলাইট রেখে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত শেখর বসুকে উপজেলার বাকাল ইউনিয়নের কদমবাড়ি এলাকায় নিজ মাছের ঘের থেকে শনিবার রাতে এসআই আব্দুল্লাহ আল মামুন গ্রেপ্তার করেন।
বর্তমানে গুরুতর আহত নারায়ন হালদার আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে আগৈলঝাড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুশংকর মল্লিক জানান, নির্যাতনের অভিযোগে মামলা দায়েরের পর অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন