মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার ডাসার ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের শরীফ বাড়ি এলাকায় সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য ব্যবহৃত সরকারি পাকা রাস্তার অংশ ভেঙে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সরকারি রাস্তা রক্ষা এবং নির্মাণকাজের বৈধতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ডাসার ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা শরীফ সাওন, পিতা আব্দুর রব শরীফ এবং তার চাচাতো ভাই শরীফ মুরাদ, পিতা আব্দুল মালেক শরীফ রাস্তার অংশ ব্যবহার করে দুইতলা ভবনের কক্ষ নির্মাণের কাজ করছেন। এতে ওই এলাকার মানুষের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।
এলাকাবাসীর দাবি, মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থে নির্মাণাধীন ঘরের অনুমোদিত নকশা ও নির্মাণসংক্রান্ত নিয়ম যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা প্রশাসনের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে রাস্তার সীমানা নির্ধারণ করে সরকারি জায়গায় কোনো স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে কি না, সেটিও তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা।
অভিযোগকারীদের আরও দাবি, রাস্তার অংশ ভাঙার প্রতিবাদ করায় শরীফ সাওন, শরীফ মুরাদ ও তাদের স্বজনদের পক্ষ থেকে হুমকি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া শরীফ সাওনের বিরুদ্ধে অন্যের জায়গায় জোরপূর্বক ঘর নির্মাণের অভিযোগও করেছেন তারা। তবে এসব অভিযোগের স্বতন্ত্র সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
অভিযোগ অস্বীকার অভিযুক্তদের, তবে অভিযোগগুলো অস্বীকার করেছেন শরীফ সাওন। তিনি বলেন, তার ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং মিথ্যা অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
শরীফ সাওন বলেন, যে জায়গা নিয়ে নিউজ করা হচ্ছে, সেই জায়গা আমার বাবা-চাচাদের নামে ১৯৫৫ সালে দলিল করা। জায়গাটি আমাদের পারিবারিক সম্পত্তি। যে ভিডিও দেখিয়ে অভিযোগ করা হচ্ছে, সেটিতেও দেখা যাবে অভিযোগকারী নিজেই ঘরের সিঁড়ি দিয়ে জায়গা দখল করে বসে আছেন।
তিনি আরও দাবি করেন, আমাদের বাড়ির শেষ সীমানা পর্যন্তই রাস্তা রয়েছে। এরপর আর কোনো রাস্তা নেই; সেখানে একটি পুকুর রয়েছে। বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করলে প্রকৃত ঘটনা পরিষ্কার হবে। প্রয়োজনে এ বিষয়ে ভিডিও প্রমাণও দেখাতে পারি।
স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগের পরিবর্তে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরেজমিন তদন্ত করে রাস্তার প্রকৃত সীমানা, জমির মালিকানা, নির্মাণকাজের অনুমোদন ও স্থাপনার বৈধতা যাচাই করা হোক। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিতর্কিত নির্মাণকাজের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি সরকারি রাস্তা ও সাধারণ মানুষের চলাচলের পথ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।
.png)
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার ডাসার ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের শরীফ বাড়ি এলাকায় সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য ব্যবহৃত সরকারি পাকা রাস্তার অংশ ভেঙে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সরকারি রাস্তা রক্ষা এবং নির্মাণকাজের বৈধতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ডাসার ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা শরীফ সাওন, পিতা আব্দুর রব শরীফ এবং তার চাচাতো ভাই শরীফ মুরাদ, পিতা আব্দুল মালেক শরীফ রাস্তার অংশ ব্যবহার করে দুইতলা ভবনের কক্ষ নির্মাণের কাজ করছেন। এতে ওই এলাকার মানুষের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।
এলাকাবাসীর দাবি, মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থে নির্মাণাধীন ঘরের অনুমোদিত নকশা ও নির্মাণসংক্রান্ত নিয়ম যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা প্রশাসনের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে রাস্তার সীমানা নির্ধারণ করে সরকারি জায়গায় কোনো স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে কি না, সেটিও তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা।
অভিযোগকারীদের আরও দাবি, রাস্তার অংশ ভাঙার প্রতিবাদ করায় শরীফ সাওন, শরীফ মুরাদ ও তাদের স্বজনদের পক্ষ থেকে হুমকি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া শরীফ সাওনের বিরুদ্ধে অন্যের জায়গায় জোরপূর্বক ঘর নির্মাণের অভিযোগও করেছেন তারা। তবে এসব অভিযোগের স্বতন্ত্র সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
অভিযোগ অস্বীকার অভিযুক্তদের, তবে অভিযোগগুলো অস্বীকার করেছেন শরীফ সাওন। তিনি বলেন, তার ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং মিথ্যা অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
শরীফ সাওন বলেন, যে জায়গা নিয়ে নিউজ করা হচ্ছে, সেই জায়গা আমার বাবা-চাচাদের নামে ১৯৫৫ সালে দলিল করা। জায়গাটি আমাদের পারিবারিক সম্পত্তি। যে ভিডিও দেখিয়ে অভিযোগ করা হচ্ছে, সেটিতেও দেখা যাবে অভিযোগকারী নিজেই ঘরের সিঁড়ি দিয়ে জায়গা দখল করে বসে আছেন।
তিনি আরও দাবি করেন, আমাদের বাড়ির শেষ সীমানা পর্যন্তই রাস্তা রয়েছে। এরপর আর কোনো রাস্তা নেই; সেখানে একটি পুকুর রয়েছে। বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করলে প্রকৃত ঘটনা পরিষ্কার হবে। প্রয়োজনে এ বিষয়ে ভিডিও প্রমাণও দেখাতে পারি।
স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগের পরিবর্তে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরেজমিন তদন্ত করে রাস্তার প্রকৃত সীমানা, জমির মালিকানা, নির্মাণকাজের অনুমোদন ও স্থাপনার বৈধতা যাচাই করা হোক। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিতর্কিত নির্মাণকাজের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি সরকারি রাস্তা ও সাধারণ মানুষের চলাচলের পথ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন