মাদক, সন্ত্রাস ও যেকোনো ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের তদবির বা রাজনৈতিক কিংবা প্রভাবশালী মহলের চাপকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন বরিশালের গৌরনদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল।
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ওসি বলেন, মাদকসহ যেকোনো অপরাধে জড়িত ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কোনো ধরনের তদবির কাজে আসবে না। অপরাধী যতই প্রভাবশালী হোক না কেন, অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন গৌরনদীকে মাদক, সন্ত্রাস ও অন্যান্য অপরাধমুক্ত রাখতে পুলিশের অভিযান ও আইনশৃঙ্খলা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান আরও জোরদার করা হবে।
ওসি মো. তারিক হাসান রাসেল আরও বলেন অপরাধ দমনে শুধু পুলিশের একার পক্ষে কাজ করা সম্ভব নয়। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, অভিভাবক, সাংবাদিক, ব্যবসায়ীসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে মাদক ও অপরাধের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব।
মাদক থেকে তরুণ প্রজন্মকে দূরে রাখতে অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সন্তানদের চলাফেরা, বন্ধুবান্ধব ও দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডের বিষয়ে অভিভাবকদের খেয়াল রাখতে হবে। পরিবার থেকেই মাদকের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। একই সঙ্গে তরুণদের খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও ইতিবাচক সামাজিক কাজে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
গৌরনদী মডেল থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মাদক ব্যবসা ও সেবন, সন্ত্রাসসহ বিভিন্ন অপরাধের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সন্দেহভাজন ও অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
ওসি সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, কোথাও মাদক ব্যবসা, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি কিংবা অন্য কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের তথ্য পাওয়া গেলে দ্রুত পুলিশকে জানাতে হবে। তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।
তিনি বলেন, অপরাধ দমনে পুলিশের পাশাপাশি জনগণের সচেতনতা ও সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জনগণ তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করলে অপরাধীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।
গৌরনদী মডেল থানার এমন কঠোর অবস্থানের মধ্য দিয়ে মাদক ও অপরাধবিরোধী কার্যক্রম আরও জোরদার করার বার্তা দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা পুলিশ ও জনগণের সমন্বিত উদ্যোগে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত হবে।
.png)
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মাদক, সন্ত্রাস ও যেকোনো ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের তদবির বা রাজনৈতিক কিংবা প্রভাবশালী মহলের চাপকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন বরিশালের গৌরনদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল।
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ওসি বলেন, মাদকসহ যেকোনো অপরাধে জড়িত ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কোনো ধরনের তদবির কাজে আসবে না। অপরাধী যতই প্রভাবশালী হোক না কেন, অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন গৌরনদীকে মাদক, সন্ত্রাস ও অন্যান্য অপরাধমুক্ত রাখতে পুলিশের অভিযান ও আইনশৃঙ্খলা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান আরও জোরদার করা হবে।
ওসি মো. তারিক হাসান রাসেল আরও বলেন অপরাধ দমনে শুধু পুলিশের একার পক্ষে কাজ করা সম্ভব নয়। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, অভিভাবক, সাংবাদিক, ব্যবসায়ীসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে মাদক ও অপরাধের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব।
মাদক থেকে তরুণ প্রজন্মকে দূরে রাখতে অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সন্তানদের চলাফেরা, বন্ধুবান্ধব ও দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডের বিষয়ে অভিভাবকদের খেয়াল রাখতে হবে। পরিবার থেকেই মাদকের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। একই সঙ্গে তরুণদের খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও ইতিবাচক সামাজিক কাজে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
গৌরনদী মডেল থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মাদক ব্যবসা ও সেবন, সন্ত্রাসসহ বিভিন্ন অপরাধের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সন্দেহভাজন ও অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
ওসি সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, কোথাও মাদক ব্যবসা, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি কিংবা অন্য কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের তথ্য পাওয়া গেলে দ্রুত পুলিশকে জানাতে হবে। তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।
তিনি বলেন, অপরাধ দমনে পুলিশের পাশাপাশি জনগণের সচেতনতা ও সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জনগণ তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করলে অপরাধীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।
গৌরনদী মডেল থানার এমন কঠোর অবস্থানের মধ্য দিয়ে মাদক ও অপরাধবিরোধী কার্যক্রম আরও জোরদার করার বার্তা দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা পুলিশ ও জনগণের সমন্বিত উদ্যোগে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত হবে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন