ঘটনাটি শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) দুপুর আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটে উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে সংঘটিত হয়।
থানায় দায়ের করা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী মোছাঃ লাকী বেগম একই বাড়িতে বসবাসরত স্বজনদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। অভিযুক্তদের মধ্যে তাঁর ভাসুর, ভাসুরের সহযোগী ফাতেমা বেগম এবং ভাসুরের কন্যারা রয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা ও টাকা-পয়সা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্তরা জোরপূর্বক তাঁদের জমিতে সেচের জন্য মেশিন বসাতে গেলে লাকী বেগমের স্বামী মোঃ হেমায়েত উদ্দিন শান্তভাবে এর কারণ জানতে চান। এ সময় কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে অভিযুক্তরা তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন।
একপর্যায়ে প্রধান অভিযুক্ত ঘর থেকে ধারালো রামদা এনে হত্যার উদ্দেশ্যে লাকী বেগমের মাথায় কোপ মারেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তাঁর মাথার ডান পাশে গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয়। লাকী বেগমের চিৎকারে পরিবারের অন্য সদস্যরা এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা সবাই মিলে তাঁদের ওপর এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে পরিবারের একাধিক সদস্য আহত হন।
এছাড়া মারধরের সময় অভিযুক্তরা লাকী বেগমের হাতে থাকা প্রায় আট আনা ওজনের একটি স্বর্ণের আংটি এবং বারো আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীদের দাবি, ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনেই অভিযুক্তরা মামলা করলে পুরো পরিবারকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেন। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বিষয়টি জানিয়ে ভুক্তভোগীরা গৌরনদী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
আহত লাকী বেগমকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। তিনি বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। একই ঘটনায় কবির ফকিরের ছোট ভাই আমির ফকিরও আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন বলে জানা গেছে।
ঘটনার প্রত্যক্ষ সাক্ষী সুমালচন্দ মাল জানান, “আমার চোখের সামনে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে অভিযুক্ত দৌড়ে ঘর থেকে ধারালো রামদা এনে লাকী বেগমের মাথায় কোপ দেয়। তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়লে আমরা দ্রুত তাঁকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাই।
এ বিষয়ে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ তারিক হাসান রাসেল বলেন, অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বিষয় : গৌরনদী বরিশাল ভাই-ভাই সংঘর্ষ
.png)
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
ঘটনাটি শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) দুপুর আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটে উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে সংঘটিত হয়।
থানায় দায়ের করা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী মোছাঃ লাকী বেগম একই বাড়িতে বসবাসরত স্বজনদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। অভিযুক্তদের মধ্যে তাঁর ভাসুর, ভাসুরের সহযোগী ফাতেমা বেগম এবং ভাসুরের কন্যারা রয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা ও টাকা-পয়সা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্তরা জোরপূর্বক তাঁদের জমিতে সেচের জন্য মেশিন বসাতে গেলে লাকী বেগমের স্বামী মোঃ হেমায়েত উদ্দিন শান্তভাবে এর কারণ জানতে চান। এ সময় কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে অভিযুক্তরা তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন।
একপর্যায়ে প্রধান অভিযুক্ত ঘর থেকে ধারালো রামদা এনে হত্যার উদ্দেশ্যে লাকী বেগমের মাথায় কোপ মারেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তাঁর মাথার ডান পাশে গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয়। লাকী বেগমের চিৎকারে পরিবারের অন্য সদস্যরা এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা সবাই মিলে তাঁদের ওপর এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে পরিবারের একাধিক সদস্য আহত হন।
এছাড়া মারধরের সময় অভিযুক্তরা লাকী বেগমের হাতে থাকা প্রায় আট আনা ওজনের একটি স্বর্ণের আংটি এবং বারো আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীদের দাবি, ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনেই অভিযুক্তরা মামলা করলে পুরো পরিবারকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেন। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বিষয়টি জানিয়ে ভুক্তভোগীরা গৌরনদী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
আহত লাকী বেগমকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। তিনি বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। একই ঘটনায় কবির ফকিরের ছোট ভাই আমির ফকিরও আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন বলে জানা গেছে।
ঘটনার প্রত্যক্ষ সাক্ষী সুমালচন্দ মাল জানান, “আমার চোখের সামনে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে অভিযুক্ত দৌড়ে ঘর থেকে ধারালো রামদা এনে লাকী বেগমের মাথায় কোপ দেয়। তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়লে আমরা দ্রুত তাঁকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাই।
এ বিষয়ে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ তারিক হাসান রাসেল বলেন, অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন