ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করেছে। এ ঘটনায় উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়া তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। একই সঙ্গে ইরানে নতুন করে সামরিক অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে ইসরায়েল।
রোববার (১ মার্চ) উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে ইরানে ইসরায়েলের হামলা এবং যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানকে “অবৈধ আগ্রাসন” হিসেবে আখ্যা দেয়। দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কেসিএনএ জানিয়েছে, পিয়ংইয়ং এই হামলাকে ইরানের জাতীয় সার্বভৌমত্বের চরম লঙ্ঘন হিসেবে দেখছে।
বিবৃতিতে উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান প্রত্যাশিতই ছিল এবং ওয়াশিংটনের “আধিপত্যবাদী ও গুণ্ডামিসুলভ আচরণ” এমন পরিস্থিতির জন্ম দিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর দায়িত্বশীল ভূমিকা নেওয়ার আহ্বানও জানানো হয়।
এদিকে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, খামেনি হত্যার পর তেহরানে ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু হয়েছে। রাজধানীতে আরও বড় ধরনের হামলা চালানো হচ্ছে বলেও দাবি করেছে তারা। ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ এই অভিযানে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে অস্থিতিশীলতা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ইরানের সামরিক বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন ঘাঁটি ও স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে। এতে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতার-এ হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে।
অন্যদিকে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন খামেনি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গভীর শোক ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান-এর কাছে পাঠানো এক বার্তায় তিনি একে “নৃশংস হত্যাকাণ্ড” বলে অভিহিত করেন। রুশ বার্তা সংস্থা তাস নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, পুতিন এই ঘটনাকে আন্তর্জাতিক আইন ও মানবিক নীতির চরম লঙ্ঘন হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
উল্লেখ্য, পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তনশীল হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সামরিক সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা। আন্তর্জাতিক মহল পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
সূত্র: এএফপি, রয়টার্স।
বিষয় : ইরান যুদ্ধ রাশিয়া উত্তর কোরিয়া
.png)
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মার্চ ২০২৬
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করেছে। এ ঘটনায় উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়া তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। একই সঙ্গে ইরানে নতুন করে সামরিক অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে ইসরায়েল।
রোববার (১ মার্চ) উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে ইরানে ইসরায়েলের হামলা এবং যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানকে “অবৈধ আগ্রাসন” হিসেবে আখ্যা দেয়। দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কেসিএনএ জানিয়েছে, পিয়ংইয়ং এই হামলাকে ইরানের জাতীয় সার্বভৌমত্বের চরম লঙ্ঘন হিসেবে দেখছে।
বিবৃতিতে উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান প্রত্যাশিতই ছিল এবং ওয়াশিংটনের “আধিপত্যবাদী ও গুণ্ডামিসুলভ আচরণ” এমন পরিস্থিতির জন্ম দিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর দায়িত্বশীল ভূমিকা নেওয়ার আহ্বানও জানানো হয়।
এদিকে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, খামেনি হত্যার পর তেহরানে ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু হয়েছে। রাজধানীতে আরও বড় ধরনের হামলা চালানো হচ্ছে বলেও দাবি করেছে তারা। ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ এই অভিযানে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে অস্থিতিশীলতা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ইরানের সামরিক বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন ঘাঁটি ও স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে। এতে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতার-এ হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে।
অন্যদিকে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন খামেনি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গভীর শোক ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান-এর কাছে পাঠানো এক বার্তায় তিনি একে “নৃশংস হত্যাকাণ্ড” বলে অভিহিত করেন। রুশ বার্তা সংস্থা তাস নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, পুতিন এই ঘটনাকে আন্তর্জাতিক আইন ও মানবিক নীতির চরম লঙ্ঘন হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
উল্লেখ্য, পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তনশীল হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সামরিক সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা। আন্তর্জাতিক মহল পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
সূত্র: এএফপি, রয়টার্স।
.png)
আপনার মতামত লিখুন