বরিশালের মুলাদী উপজেলার সফিপুর ইউনিয়নে মাদকসেবীর হামলায় গুরুতর আহত হাফেজ হাবিবুল্লাহ (৬০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। রোববার ভোররাতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
নিহত হাফেজ হাবিবুল্লাহ উপজেলার সফিপুর ইউনিয়নের উত্তর বালিয়াতলী গ্রামের মৃত আব্দুস ছত্তার ভূঁইয়ার ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে নিজ বাড়িতে শাতিল শরীফ (৩২) নামের এক মাদকসেবীর হামলায় তিনি ও তার কলেজপড়ুয়া মেয়ে ফাতিহা আহত হন। অভিযুক্ত শাতিল একই গ্রামের শাহিন শরীফ ওরফে শাহীন ডাক্তারের ছেলে।
আহত ফাতিহা জানান, শুক্রবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে শাতিল তাদের বাড়িতে এসে ভাত খেতে চান। সে সময় তার বাবা বাড়িতে ছিলেন না। ফাতিহা গরুর মাংস দিয়ে ভাত দিলে শাতিল বারান্দায় বসে খেতে শুরু করেন। পরে সকাল ১০টার দিকে হাফেজ হাবিবুল্লাহ বাড়িতে ফিরে তাকে ঘরের টেবিলে বসে খাওয়ার অনুরোধ করেন।
ঘরে প্রবেশের পর শাতিল গরুর মাংস দিয়ে ভাত না খেয়ে ডিম ভাজি দিতে বলেন। ফাতিহা ডিম ভাজি করতে গেলে শাতিল মাদক কেনার জন্য টাকা দাবি করেন। হাফেজ হাবিবুল্লাহ টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে তাকে গুরুতর আহত করেন। বাবার চিৎকার শুনে ফাতিহা এগিয়ে গেলে তাকেও মারধর করা হয়।
পরে স্থানীয়রা দুজনকে উদ্ধার করে শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে হাফেজ হাবিবুল্লাহকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার ভোররাতে তার মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে মুলাদী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোমিন হোসেন জানান, ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
.png)
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মার্চ ২০২৬
বরিশালের মুলাদী উপজেলার সফিপুর ইউনিয়নে মাদকসেবীর হামলায় গুরুতর আহত হাফেজ হাবিবুল্লাহ (৬০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। রোববার ভোররাতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
নিহত হাফেজ হাবিবুল্লাহ উপজেলার সফিপুর ইউনিয়নের উত্তর বালিয়াতলী গ্রামের মৃত আব্দুস ছত্তার ভূঁইয়ার ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে নিজ বাড়িতে শাতিল শরীফ (৩২) নামের এক মাদকসেবীর হামলায় তিনি ও তার কলেজপড়ুয়া মেয়ে ফাতিহা আহত হন। অভিযুক্ত শাতিল একই গ্রামের শাহিন শরীফ ওরফে শাহীন ডাক্তারের ছেলে।
আহত ফাতিহা জানান, শুক্রবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে শাতিল তাদের বাড়িতে এসে ভাত খেতে চান। সে সময় তার বাবা বাড়িতে ছিলেন না। ফাতিহা গরুর মাংস দিয়ে ভাত দিলে শাতিল বারান্দায় বসে খেতে শুরু করেন। পরে সকাল ১০টার দিকে হাফেজ হাবিবুল্লাহ বাড়িতে ফিরে তাকে ঘরের টেবিলে বসে খাওয়ার অনুরোধ করেন।
ঘরে প্রবেশের পর শাতিল গরুর মাংস দিয়ে ভাত না খেয়ে ডিম ভাজি দিতে বলেন। ফাতিহা ডিম ভাজি করতে গেলে শাতিল মাদক কেনার জন্য টাকা দাবি করেন। হাফেজ হাবিবুল্লাহ টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে তাকে গুরুতর আহত করেন। বাবার চিৎকার শুনে ফাতিহা এগিয়ে গেলে তাকেও মারধর করা হয়।
পরে স্থানীয়রা দুজনকে উদ্ধার করে শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে হাফেজ হাবিবুল্লাহকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার ভোররাতে তার মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে মুলাদী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোমিন হোসেন জানান, ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন