গৌরনদীতে পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে উপজেলা ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২ মার্চ) আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন বাজার ও ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সৈয়দ সরোয়ার আলম বিপ্লব। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কামরুজ্জামান খোকন। এছাড়াও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
ইফতারের পূর্ব মুহূর্তে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি এবং ব্যবসায়ীদের সার্বিক কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।
বক্তারা বলেন, পবিত্র রমজান আত্মশুদ্ধি, সংযম ও তাকওয়ার মাস। এ মাসের শিক্ষা ধারণ করে ব্যবসায়ীদের সততা বজায় রাখা, ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং ভোক্তাসেবায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তারা। একই সঙ্গে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, এ ধরনের আয়োজন ব্যবসায়ীদের মধ্যে সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করে। ভবিষ্যতেও সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সবার মাঝে ইফতার পরিবেশন করা হয়।
.png)
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মার্চ ২০২৬
গৌরনদীতে পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে উপজেলা ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২ মার্চ) আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন বাজার ও ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সৈয়দ সরোয়ার আলম বিপ্লব। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কামরুজ্জামান খোকন। এছাড়াও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
ইফতারের পূর্ব মুহূর্তে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি এবং ব্যবসায়ীদের সার্বিক কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।
বক্তারা বলেন, পবিত্র রমজান আত্মশুদ্ধি, সংযম ও তাকওয়ার মাস। এ মাসের শিক্ষা ধারণ করে ব্যবসায়ীদের সততা বজায় রাখা, ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং ভোক্তাসেবায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তারা। একই সঙ্গে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, এ ধরনের আয়োজন ব্যবসায়ীদের মধ্যে সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করে। ভবিষ্যতেও সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সবার মাঝে ইফতার পরিবেশন করা হয়।
.png)
আপনার মতামত লিখুন