মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে ইরান যুক্তরাজ্যকে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটি ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানে হামলা চালায়, তাহলে সেটিকে সরাসরি ‘আগ্রাসনে অংশগ্রহণ’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
এক ফোনালাপে তিনি এই বার্তা যুক্তরাজ্যের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে পৌঁছে দেন। পরে এক বিবৃতিতে আরাগচি বলেন, এমন পদক্ষেপ দুই দেশের সম্পর্কের ইতিহাসে ‘কালো অধ্যায়’ হয়ে থাকবে। একইসঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ইরান আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগে কোনো ছাড় দেবে না।
এদিকে, দক্ষিণ ইরানের একটি স্কুলে সাম্প্রতিক ভয়াবহ হামলাকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ওই হামলায় ১৬৫ জনের বেশি মানুষ নিহত হন, যাদের বেশিরভাগই শিশু।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করেন। তবে ইরানের দাবি অনুযায়ী, পেন্টাগনের অভ্যন্তরীণ তদন্তে উঠে এসেছে যে, ওই হামলায় ‘টমাহক’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল, যা মার্কিন সামরিক বাহিনী থেকেই নিক্ষেপ করা হয়।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-এর মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে।
আরাগচির এই কঠোর বার্তার বিষয়ে এখন পর্যন্ত যুক্তরাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
বিষয় : ইরান যুক্তরাজ্য ঘাঁটি ব্যবহার
.png)
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে ইরান যুক্তরাজ্যকে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটি ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানে হামলা চালায়, তাহলে সেটিকে সরাসরি ‘আগ্রাসনে অংশগ্রহণ’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
এক ফোনালাপে তিনি এই বার্তা যুক্তরাজ্যের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে পৌঁছে দেন। পরে এক বিবৃতিতে আরাগচি বলেন, এমন পদক্ষেপ দুই দেশের সম্পর্কের ইতিহাসে ‘কালো অধ্যায়’ হয়ে থাকবে। একইসঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ইরান আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগে কোনো ছাড় দেবে না।
এদিকে, দক্ষিণ ইরানের একটি স্কুলে সাম্প্রতিক ভয়াবহ হামলাকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ওই হামলায় ১৬৫ জনের বেশি মানুষ নিহত হন, যাদের বেশিরভাগই শিশু।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করেন। তবে ইরানের দাবি অনুযায়ী, পেন্টাগনের অভ্যন্তরীণ তদন্তে উঠে এসেছে যে, ওই হামলায় ‘টমাহক’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল, যা মার্কিন সামরিক বাহিনী থেকেই নিক্ষেপ করা হয়।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-এর মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে।
আরাগচির এই কঠোর বার্তার বিষয়ে এখন পর্যন্ত যুক্তরাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
.png)
আপনার মতামত লিখুন