সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া বহুল আলোচিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণা করা হবে আজ, ১৩ নভেম্বর। এরই মধ্যে সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার, বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ রায়ের তারিখ ঘোষণা করবেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
মামলার অন্য দুই আসামি হলেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। ইতিমধ্যে মামুন নিজেই দোষ স্বীকার করে রাজসাক্ষী হিসেবে আদালতে বক্তব্য দিয়েছেন।
এ মামলার কার্যক্রম গত ২৩ অক্টোবর রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা ও ট্রাইব্যুনালের প্রধান কৌঁসুলির সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে শেষ হয়েছে। প্রসিকিউশন আসামিদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি চাইলেও রাজসাক্ষী মামুনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত আদালতের উপর ছেড়ে দিয়েছে। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা সবকে খালাস দাবি করেছেন।
মামলায় মানবতাবিরোধী অপরাধের পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছিল, যার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ ৮,৭৪৭ পৃষ্ঠার। এর মধ্যে তথ্যসূত্র ২,০১৮ পৃষ্ঠা, জব্দ তালিকা ও দালিলিক প্রমাণাদি ৪,০৫৩ পৃষ্ঠা এবং নিহতদের তালিকা ২,৭২৪ পৃষ্ঠা। মোট ৫৪ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন, যার মধ্যে ৫৩ জন আদালতে হাজির হয়ে জবানবন্দি দিয়েছেন। এছাড়া কিছু অংশ সরাসরি সম্প্রচার করা হয়েছে।
মামলার তদন্ত ও বিচার কার্যক্রম মোট ২৮ কার্যদিবসে সম্পন্ন হয়। সাক্ষ্যগ্রহণের পাশাপাশি ১৭টি ভিডিও প্রদর্শন করা হয়, এবং সাংবাদিক ও রাজনীতিকদের সাক্ষ্যও নেওয়া হয়েছে।
আজকের রায় ঘোষণার মধ্য দিয়ে এই দীর্ঘদিনের আলোচিত মামলার ফলাফল জানা যাবে।
বিষয় : মামলার শুনানি
.png)
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ নভেম্বর ২০২৫
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া বহুল আলোচিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণা করা হবে আজ, ১৩ নভেম্বর। এরই মধ্যে সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার, বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ রায়ের তারিখ ঘোষণা করবেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
মামলার অন্য দুই আসামি হলেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। ইতিমধ্যে মামুন নিজেই দোষ স্বীকার করে রাজসাক্ষী হিসেবে আদালতে বক্তব্য দিয়েছেন।
এ মামলার কার্যক্রম গত ২৩ অক্টোবর রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা ও ট্রাইব্যুনালের প্রধান কৌঁসুলির সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে শেষ হয়েছে। প্রসিকিউশন আসামিদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি চাইলেও রাজসাক্ষী মামুনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত আদালতের উপর ছেড়ে দিয়েছে। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা সবকে খালাস দাবি করেছেন।
মামলায় মানবতাবিরোধী অপরাধের পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছিল, যার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ ৮,৭৪৭ পৃষ্ঠার। এর মধ্যে তথ্যসূত্র ২,০১৮ পৃষ্ঠা, জব্দ তালিকা ও দালিলিক প্রমাণাদি ৪,০৫৩ পৃষ্ঠা এবং নিহতদের তালিকা ২,৭২৪ পৃষ্ঠা। মোট ৫৪ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন, যার মধ্যে ৫৩ জন আদালতে হাজির হয়ে জবানবন্দি দিয়েছেন। এছাড়া কিছু অংশ সরাসরি সম্প্রচার করা হয়েছে।
মামলার তদন্ত ও বিচার কার্যক্রম মোট ২৮ কার্যদিবসে সম্পন্ন হয়। সাক্ষ্যগ্রহণের পাশাপাশি ১৭টি ভিডিও প্রদর্শন করা হয়, এবং সাংবাদিক ও রাজনীতিকদের সাক্ষ্যও নেওয়া হয়েছে।
আজকের রায় ঘোষণার মধ্য দিয়ে এই দীর্ঘদিনের আলোচিত মামলার ফলাফল জানা যাবে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন