কুমিল্লা টাউন হল মাঠে একই দিনে দুই কর্মসূচি, জটিলতায় স্থানীয় রাজনীতি। কুমিল্লা টাউন হল মাঠে একই দিনে দুটি রাজনৈতিক কর্মসূচি নির্ধারিত হওয়ায় জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। বিএনপির দুই পক্ষের এ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
জানা গেছে, একদিকে আমিন উর রশিদ ইয়াছিনের সমর্থকদের আয়োজন—পরিকল্পিত ৩১ দফা প্রচারণা, বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের সুস্থতা কামনায় দোয়া ও আলোচনা অনুষ্ঠান। অন্যদিকে বিকেলে একই স্থানে মনিরুল হক চৌধুরীর পূর্বনির্ধারিত সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।
পুলিশ ও প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, মনিরুল হক চৌধুরী ২০, ২১ ও ২২ নভেম্বর টাউন হল মাঠ আনুষ্ঠানিকভাবে ভাড়া নিয়েছেন এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়েছেন। ফলে নিয়ম অনুযায়ী এই সময়সীমায় অন্য কোনো পক্ষের সেখানে অনুষ্ঠান আয়োজনের সুযোগ নেই।
এ বিষয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মহিনুল ইসলাম বলেন, “যে পক্ষ আগে মাঠ ভাড়া নিয়ে আনুষ্ঠানিক অনুমতি নিয়েছে, তাদেরই অগ্রাধিকার পাওয়া আইনগত অধিকার। মনিরুল হক চৌধুরী তিন দিনের জন্য মাঠ ভাড়া নিয়েছেন, তাই একই সময়ে অন্য কোনো অনুষ্ঠান অনুমোদনযোগ্য নয়।”
অন্যদিকে ইয়াছিনের সমর্থক যুবদল নেতা সাজ্জাদ দাবি করেন, “আমরাও মাঠ ব্যবহারের জন্য অনুমতির আবেদন করেছি। আমরাই অনুষ্ঠান করার কথা।” তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা কর্মসূচির প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাই মাঠ ব্যবহারে জটিলতা হওয়ায় তারা হতাশ।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি ও উত্তেজনা তৈরি হলেও এখনো কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। উভয় পক্ষই এখন প্রশাসনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, একই স্থানে একাধিক কর্মসূচি পড়ায় পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হচ্ছে। আইনগতভাবে যার অগ্রাধিকার রয়েছে, তাকে অনুমতি দেওয়া হবে। পরিস্থিতি সংবেদনশীল হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
কুমিল্লা টাউন হল মাঠকে কেন্দ্র করে এ টানাপোড়েন স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
বিষয় : বিএনপি কুমিল্লা বিএনপি-৬ আসন
.png)
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ নভেম্বর ২০২৫
কুমিল্লা টাউন হল মাঠে একই দিনে দুই কর্মসূচি, জটিলতায় স্থানীয় রাজনীতি। কুমিল্লা টাউন হল মাঠে একই দিনে দুটি রাজনৈতিক কর্মসূচি নির্ধারিত হওয়ায় জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। বিএনপির দুই পক্ষের এ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
জানা গেছে, একদিকে আমিন উর রশিদ ইয়াছিনের সমর্থকদের আয়োজন—পরিকল্পিত ৩১ দফা প্রচারণা, বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের সুস্থতা কামনায় দোয়া ও আলোচনা অনুষ্ঠান। অন্যদিকে বিকেলে একই স্থানে মনিরুল হক চৌধুরীর পূর্বনির্ধারিত সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।
পুলিশ ও প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, মনিরুল হক চৌধুরী ২০, ২১ ও ২২ নভেম্বর টাউন হল মাঠ আনুষ্ঠানিকভাবে ভাড়া নিয়েছেন এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়েছেন। ফলে নিয়ম অনুযায়ী এই সময়সীমায় অন্য কোনো পক্ষের সেখানে অনুষ্ঠান আয়োজনের সুযোগ নেই।
এ বিষয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মহিনুল ইসলাম বলেন, “যে পক্ষ আগে মাঠ ভাড়া নিয়ে আনুষ্ঠানিক অনুমতি নিয়েছে, তাদেরই অগ্রাধিকার পাওয়া আইনগত অধিকার। মনিরুল হক চৌধুরী তিন দিনের জন্য মাঠ ভাড়া নিয়েছেন, তাই একই সময়ে অন্য কোনো অনুষ্ঠান অনুমোদনযোগ্য নয়।”
অন্যদিকে ইয়াছিনের সমর্থক যুবদল নেতা সাজ্জাদ দাবি করেন, “আমরাও মাঠ ব্যবহারের জন্য অনুমতির আবেদন করেছি। আমরাই অনুষ্ঠান করার কথা।” তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা কর্মসূচির প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাই মাঠ ব্যবহারে জটিলতা হওয়ায় তারা হতাশ।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি ও উত্তেজনা তৈরি হলেও এখনো কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। উভয় পক্ষই এখন প্রশাসনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, একই স্থানে একাধিক কর্মসূচি পড়ায় পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হচ্ছে। আইনগতভাবে যার অগ্রাধিকার রয়েছে, তাকে অনুমতি দেওয়া হবে। পরিস্থিতি সংবেদনশীল হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
কুমিল্লা টাউন হল মাঠকে কেন্দ্র করে এ টানাপোড়েন স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন