বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় এক নাবালিকা স্কুলছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণের অভিযোগে একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী ছাত্রীর পিতা দীপক সরকার (৪০) বাদী হয়ে গৌরনদী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পূর্ব সরমসিংহ গ্রামের বাসিন্দা তার ১৬ বছর বয়সী কন্যা দিপান্বীতা সরকার স্থানীয় মেদাকুল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ছাত্রী।
একই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রিতাজ (১৫)-এর সঙ্গে পরিচয়ের সূত্র ধরে এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি জানতে পেরে পরিবারের পক্ষ থেকে রিতাজকে একাধিকবার সতর্ক করা হলে সে ক্ষিপ্ত হয়ে মেয়েটিকে তুলে নেওয়ার হুমকি দেয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীর পরিবারের দাবি, গত ৩০ মার্চ ২০২৬ তারিখ বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে মেদাকুল এলাকার ভূইয়া বাড়ির সামনে রাস্তা থেকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ওৎ পেতে থাকা রিতাজ ও তার সহযোগীরা বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একটি অজ্ঞাতনামা সিএনজি যোগে দিপান্বীতাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। ঘটনাটি স্থানীয় লোকজন প্রত্যক্ষ করে পরিবারকে জানালে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
পরবর্তীতে সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে অনুসন্ধান চালিয়েও মেয়ের কোনো সন্ধান না পেয়ে আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা শেষে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগীর পিতা। অভিযোগে তিনি আরও উল্লেখ করেন, অভিযুক্তরা বর্তমানে ঢাকার কামরাঙ্গীরচর থানার রূপনগর এলাকার একটি বাসায় অবস্থান করছে বলে তারা ধারণা করছেন।
এছাড়াও স্থানীয়দের বরাত দিয়ে অভিযোগে বলা হয়, রিতাজ পূর্বে সাইফুলের বাসায় থাকতেন এবং ওই এলাকার কিছু পরিবার দাবি করেছেন, তার বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ রয়েছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ছেলেটা খারাপ এবং হঠাৎ করেই এই নাবালিকা মেয়েটিকে নিয়ে গেছে।
এ ঘটনায় অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন রিতাজ, তার পিতা মোঃ দেলোয়ার হোসেন, মোঃ রাতুল হোসেন, মোঃ আমজাদ হোসেন মাতুব্বর এবং মোঃ সাইফুল ইসলাম। ভুক্তভোগীর পরিবার অভিযোগ করে জানায়, তারা সংখ্যালঘু হওয়ায় অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে গৌরনদী মডেল থানার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করা হয়েছে। ভুক্তভোগীকে উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
এ ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত ভুক্তভোগীকে উদ্ধার এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
.png)
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬
বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় এক নাবালিকা স্কুলছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণের অভিযোগে একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী ছাত্রীর পিতা দীপক সরকার (৪০) বাদী হয়ে গৌরনদী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পূর্ব সরমসিংহ গ্রামের বাসিন্দা তার ১৬ বছর বয়সী কন্যা দিপান্বীতা সরকার স্থানীয় মেদাকুল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ছাত্রী।
একই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রিতাজ (১৫)-এর সঙ্গে পরিচয়ের সূত্র ধরে এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি জানতে পেরে পরিবারের পক্ষ থেকে রিতাজকে একাধিকবার সতর্ক করা হলে সে ক্ষিপ্ত হয়ে মেয়েটিকে তুলে নেওয়ার হুমকি দেয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীর পরিবারের দাবি, গত ৩০ মার্চ ২০২৬ তারিখ বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে মেদাকুল এলাকার ভূইয়া বাড়ির সামনে রাস্তা থেকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ওৎ পেতে থাকা রিতাজ ও তার সহযোগীরা বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একটি অজ্ঞাতনামা সিএনজি যোগে দিপান্বীতাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। ঘটনাটি স্থানীয় লোকজন প্রত্যক্ষ করে পরিবারকে জানালে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
পরবর্তীতে সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে অনুসন্ধান চালিয়েও মেয়ের কোনো সন্ধান না পেয়ে আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা শেষে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগীর পিতা। অভিযোগে তিনি আরও উল্লেখ করেন, অভিযুক্তরা বর্তমানে ঢাকার কামরাঙ্গীরচর থানার রূপনগর এলাকার একটি বাসায় অবস্থান করছে বলে তারা ধারণা করছেন।
এছাড়াও স্থানীয়দের বরাত দিয়ে অভিযোগে বলা হয়, রিতাজ পূর্বে সাইফুলের বাসায় থাকতেন এবং ওই এলাকার কিছু পরিবার দাবি করেছেন, তার বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ রয়েছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ছেলেটা খারাপ এবং হঠাৎ করেই এই নাবালিকা মেয়েটিকে নিয়ে গেছে।
এ ঘটনায় অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন রিতাজ, তার পিতা মোঃ দেলোয়ার হোসেন, মোঃ রাতুল হোসেন, মোঃ আমজাদ হোসেন মাতুব্বর এবং মোঃ সাইফুল ইসলাম। ভুক্তভোগীর পরিবার অভিযোগ করে জানায়, তারা সংখ্যালঘু হওয়ায় অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে গৌরনদী মডেল থানার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করা হয়েছে। ভুক্তভোগীকে উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
এ ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত ভুক্তভোগীকে উদ্ধার এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
.png)
আপনার মতামত লিখুন