জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হচ্ছে না এ বিষয়টি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ফলে তেল মজুত করে লাভবান হওয়ার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।
বুধবার (২৫ মার্চ) সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এবং সচিব মাহবুবা ফারজানা।
উপদেষ্টা বলেন, বিশ্বব্যাপী চলমান সংকটের প্রভাব বাংলাদেশেও পড়েছে। এ অবস্থায় জনগণকে অপ্রয়োজনীয়ভাবে তেল মজুত বা আতঙ্কিত হয়ে কেনাকাটা (প্যানিক বায়িং) থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি সতর্ক করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী যখন স্পষ্ট জানিয়েছেন তেলের দাম বাড়বে না, তখন মজুত করে রাখার কোনো লাভ নেই।
জ্বালানি খাতে সমন্বয়হীনতার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, হঠাৎ করে অতিরিক্ত চাহিদা তৈরি হওয়ায় সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ পড়েছে। উদাহরণ হিসেবে ব্যাংকিং ব্যবস্থার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সবাই একসাথে টাকা তুলতে গেলে যেমন ব্যাংক ভেঙে পড়ে, তেমনি অতিরিক্ত তেল কেনার প্রবণতাও সরবরাহ ব্যবস্থাকে বিঘ্নিত করে।
তিনি আরও বলেন, ঈদের আগে স্বাভাবিক হিসাবের তুলনায় অনেক দ্রুত তেল শেষ হয়ে গেছে, যা মূলত মানুষের আতঙ্কজনিত আচরণের ফল।
সরকার চাইলে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াতে পারত, কারণ আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রয়মূল্য বেড়েছে। তবে জনগণের ক্রয়ক্ষমতা বিবেচনায় সরকার সে পথে যায়নি বলেও জানান তিনি।
সবশেষে তিনি বলেন, সংকট মোকাবিলায় সবাইকে সচেতন হতে হবে এবং অযথা মজুত বা আতঙ্কিত কেনাকাটা থেকে বিরত থাকতে হবে।
.png)
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মার্চ ২০২৬
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হচ্ছে না এ বিষয়টি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ফলে তেল মজুত করে লাভবান হওয়ার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।
বুধবার (২৫ মার্চ) সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এবং সচিব মাহবুবা ফারজানা।
উপদেষ্টা বলেন, বিশ্বব্যাপী চলমান সংকটের প্রভাব বাংলাদেশেও পড়েছে। এ অবস্থায় জনগণকে অপ্রয়োজনীয়ভাবে তেল মজুত বা আতঙ্কিত হয়ে কেনাকাটা (প্যানিক বায়িং) থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি সতর্ক করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী যখন স্পষ্ট জানিয়েছেন তেলের দাম বাড়বে না, তখন মজুত করে রাখার কোনো লাভ নেই।
জ্বালানি খাতে সমন্বয়হীনতার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, হঠাৎ করে অতিরিক্ত চাহিদা তৈরি হওয়ায় সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ পড়েছে। উদাহরণ হিসেবে ব্যাংকিং ব্যবস্থার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সবাই একসাথে টাকা তুলতে গেলে যেমন ব্যাংক ভেঙে পড়ে, তেমনি অতিরিক্ত তেল কেনার প্রবণতাও সরবরাহ ব্যবস্থাকে বিঘ্নিত করে।
তিনি আরও বলেন, ঈদের আগে স্বাভাবিক হিসাবের তুলনায় অনেক দ্রুত তেল শেষ হয়ে গেছে, যা মূলত মানুষের আতঙ্কজনিত আচরণের ফল।
সরকার চাইলে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াতে পারত, কারণ আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রয়মূল্য বেড়েছে। তবে জনগণের ক্রয়ক্ষমতা বিবেচনায় সরকার সে পথে যায়নি বলেও জানান তিনি।
সবশেষে তিনি বলেন, সংকট মোকাবিলায় সবাইকে সচেতন হতে হবে এবং অযথা মজুত বা আতঙ্কিত কেনাকাটা থেকে বিরত থাকতে হবে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন