বরিশাল-১ (গৌরনদী–আগৈলঝাড়া) আসনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী কামরুল ইসলাম খানের মনোনয়ন স্থগিত করা হয়েছে। তার দাখিলকৃত হলফনামায় উল্লেখিত আয় ও আয়কর সংক্রান্ত তথ্যে অসঙ্গতি পাওয়ায় নির্বাচন কমিশন (ইসি) এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কামরুল ইসলাম খানের হলফনামায় প্রদত্ত আয় ও আয়কর সংক্রান্ত তথ্য যাচাইয়ে গরমিল ধরা পড়েছে। এ কারণে বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তার মনোনয়ন আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। ফলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত তিনি নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন না।
অন্যদিকে একই আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জহির উদ্দিন স্বপন, স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুস সোবাহান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. রাসেল সরদার এবং জাতীয় পার্টি (জেপি) মনোনীত প্রার্থী ছেরনিয়াবাত সেকেন্দার আলীর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
এ ঘটনায় বরিশাল-১ আসনের নির্বাচনী অঙ্গনে আলোচনা ও কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, আপিলের মাধ্যমে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়ন বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের পরবর্তী কার্যক্রমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
.png)
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জানুয়ারি ২০২৬
বরিশাল-১ (গৌরনদী–আগৈলঝাড়া) আসনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী কামরুল ইসলাম খানের মনোনয়ন স্থগিত করা হয়েছে। তার দাখিলকৃত হলফনামায় উল্লেখিত আয় ও আয়কর সংক্রান্ত তথ্যে অসঙ্গতি পাওয়ায় নির্বাচন কমিশন (ইসি) এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কামরুল ইসলাম খানের হলফনামায় প্রদত্ত আয় ও আয়কর সংক্রান্ত তথ্য যাচাইয়ে গরমিল ধরা পড়েছে। এ কারণে বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তার মনোনয়ন আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। ফলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত তিনি নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন না।
অন্যদিকে একই আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জহির উদ্দিন স্বপন, স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুস সোবাহান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. রাসেল সরদার এবং জাতীয় পার্টি (জেপি) মনোনীত প্রার্থী ছেরনিয়াবাত সেকেন্দার আলীর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
এ ঘটনায় বরিশাল-১ আসনের নির্বাচনী অঙ্গনে আলোচনা ও কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, আপিলের মাধ্যমে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়ন বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের পরবর্তী কার্যক্রমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন