ঢাকা   বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
ঢাকা   বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
Today বাংলা নিউজ

এবার সাদিক কায়েমদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুললেন জুমা



এবার সাদিক কায়েমদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুললেন জুমা
ছবিঃ সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-এর সদস্যদের মধ্যে অন্তর্কোন্দল প্রকাশ্যে এসেছে। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনকে ঘিরে এ সমন্বয়হীনতা সামনে আসে।

শুক্রবার দিবাগত রাতে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণকে কেন্দ্র করে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ডাকসুর কয়েকজন সদস্য সাদিক কায়েম, এস এম ফরহাদ ও মহিউদ্দিন খান। অভিযোগ ওঠে, এ আয়োজনে অন্য সম্পাদকদের অংশগ্রহণের বিষয়ে কোনো সমন্বয় করা হয়নি।

বিষয়টি নিয়ে প্রথমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য সর্বমিত্র চাকমা। তিনি জানান, তিনি ও ফাতিমা তাসনিম জুমা, হেমা চাকমা, উম্মে উসওয়াতুন রাফিয়াসহ আরও কয়েকজন সদস্য বাংলাদেশ টেলিভিশনের সরাসরি সম্প্রচার দেখে জানতে পারেন যে ডাকসু শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছে।

এরপর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা সমন্বয়হীনতার অভিযোগ তুলে ধরেন। তার দাবি, শহীদ মিনারে প্রথম প্রহরে ডাকসু কখন শ্রদ্ধা জানাবে এ বিষয়ে তিনি দু’বার জানতে চাইলেও তাকে জানানো হয় যে কেবল সিনেট সদস্যরা রাষ্ট্রীয় প্রটোকল অনুযায়ী যাবেন এবং বিষয়টি ‘সিলেক্টিভ পাস’-নির্ভর।

তবে পরে তিনি দেখেন, ওই পাস একটি নির্দিষ্ট দলের ইউনিয়ন পর্যায়ের কর্মীদের কাছেও ছিল, অথচ ডাকসুর অন্য সম্পাদকদের জন্য তা ছিল না। এ বিষয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন, কীভাবে ডাকসুর পক্ষ থেকে এমন গাফিলতি ঘটল।

জুমা আরও উল্লেখ করেন, প্রভাতফেরীর আয়োজন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট চিঠি কেবল ভিপি, জিএস ও এজিএসের কাছে পৌঁছায়। বিষয়টি গ্রুপে জানানো হয়নি; পরে তিনি নিজেই ফোন করে বিস্তারিত জেনে গ্রুপে নোটিস দেন। তার মতে, যদি সিনেট সদস্যদের মাধ্যমে ফুল দেওয়ার পরিকল্পনা থাকত, সেটি আগেই জানানো যেত। কিংবা পরবর্তী সময়ে সবার অংশগ্রহণের সুযোগ থাকলে সময় উল্লেখ করে অন্যদের উপস্থিত থাকতে বলা যেত।

তিনি বলেন, আলোচনার মাধ্যমে পুরো পরিস্থিতি সহজেই এড়ানো সম্ভব ছিল। প্রশাসনিক নানা কারণে সবার ওপরই যখন চাপ থাকে, তখন ডাকসুর প্রতিনিধিদের উচিত বিষয়গুলো আরও স্বচ্ছ ও সমন্বিতভাবে পরিচালনা করা।

ডাকসুর শীর্ষ নেতৃত্ব ভিপি, জিএস ও এজিএসের সিদ্ধান্ত ও ব্যবস্থাপনার সমালোচনা করে জুমা বলেন, তাদের সিদ্ধান্তই অন্য সম্পাদকদের কাজকে আরও কঠিন করে তুলছে। তিনি ডাকসুকে শিক্ষার্থীদের আমানত হিসেবে দেখেন এবং সম্পাদক হিসেবে শিক্ষার্থীদের কাছে জবাবদিহির বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দেন।

তার দাবি, শীর্ষ নেতৃত্ব বিষয়গুলো আরও স্বচ্ছভাবে পরিচালনা করলে এমন ‘তুচ্ছ’ ইস্যুতে প্রকাশ্যে কথা বলার প্রয়োজন হতো না।

বিষয় : সাদিক কায়েম জুমা সমন্বয়হীনতার অভিযোগ

আপনার মতামত লিখুন

Today বাংলা নিউজ

বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬


এবার সাদিক কায়েমদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুললেন জুমা

প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-এর সদস্যদের মধ্যে অন্তর্কোন্দল প্রকাশ্যে এসেছে। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনকে ঘিরে এ সমন্বয়হীনতা সামনে আসে।

শুক্রবার দিবাগত রাতে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণকে কেন্দ্র করে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ডাকসুর কয়েকজন সদস্য সাদিক কায়েম, এস এম ফরহাদ ও মহিউদ্দিন খান। অভিযোগ ওঠে, এ আয়োজনে অন্য সম্পাদকদের অংশগ্রহণের বিষয়ে কোনো সমন্বয় করা হয়নি।

বিষয়টি নিয়ে প্রথমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য সর্বমিত্র চাকমা। তিনি জানান, তিনি ও ফাতিমা তাসনিম জুমা, হেমা চাকমা, উম্মে উসওয়াতুন রাফিয়াসহ আরও কয়েকজন সদস্য বাংলাদেশ টেলিভিশনের সরাসরি সম্প্রচার দেখে জানতে পারেন যে ডাকসু শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছে।

এরপর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা সমন্বয়হীনতার অভিযোগ তুলে ধরেন। তার দাবি, শহীদ মিনারে প্রথম প্রহরে ডাকসু কখন শ্রদ্ধা জানাবে এ বিষয়ে তিনি দু’বার জানতে চাইলেও তাকে জানানো হয় যে কেবল সিনেট সদস্যরা রাষ্ট্রীয় প্রটোকল অনুযায়ী যাবেন এবং বিষয়টি ‘সিলেক্টিভ পাস’-নির্ভর।

তবে পরে তিনি দেখেন, ওই পাস একটি নির্দিষ্ট দলের ইউনিয়ন পর্যায়ের কর্মীদের কাছেও ছিল, অথচ ডাকসুর অন্য সম্পাদকদের জন্য তা ছিল না। এ বিষয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন, কীভাবে ডাকসুর পক্ষ থেকে এমন গাফিলতি ঘটল।

জুমা আরও উল্লেখ করেন, প্রভাতফেরীর আয়োজন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট চিঠি কেবল ভিপি, জিএস ও এজিএসের কাছে পৌঁছায়। বিষয়টি গ্রুপে জানানো হয়নি; পরে তিনি নিজেই ফোন করে বিস্তারিত জেনে গ্রুপে নোটিস দেন। তার মতে, যদি সিনেট সদস্যদের মাধ্যমে ফুল দেওয়ার পরিকল্পনা থাকত, সেটি আগেই জানানো যেত। কিংবা পরবর্তী সময়ে সবার অংশগ্রহণের সুযোগ থাকলে সময় উল্লেখ করে অন্যদের উপস্থিত থাকতে বলা যেত।

তিনি বলেন, আলোচনার মাধ্যমে পুরো পরিস্থিতি সহজেই এড়ানো সম্ভব ছিল। প্রশাসনিক নানা কারণে সবার ওপরই যখন চাপ থাকে, তখন ডাকসুর প্রতিনিধিদের উচিত বিষয়গুলো আরও স্বচ্ছ ও সমন্বিতভাবে পরিচালনা করা।

ডাকসুর শীর্ষ নেতৃত্ব ভিপি, জিএস ও এজিএসের সিদ্ধান্ত ও ব্যবস্থাপনার সমালোচনা করে জুমা বলেন, তাদের সিদ্ধান্তই অন্য সম্পাদকদের কাজকে আরও কঠিন করে তুলছে। তিনি ডাকসুকে শিক্ষার্থীদের আমানত হিসেবে দেখেন এবং সম্পাদক হিসেবে শিক্ষার্থীদের কাছে জবাবদিহির বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দেন।

তার দাবি, শীর্ষ নেতৃত্ব বিষয়গুলো আরও স্বচ্ছভাবে পরিচালনা করলে এমন ‘তুচ্ছ’ ইস্যুতে প্রকাশ্যে কথা বলার প্রয়োজন হতো না।


Today বাংলা নিউজ

প্রধান উপদেষ্টাঃ কাজী বায়েজিদ রনি
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ Today বাংলা নিউজ ২৪
Address: Torki, Bondor, Gournadi, Barishal
Email: todaybanglanews8@gmail.com
Mobile: +8801718854964

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত Today বাংলা নিউজ ২৪