ঝিনাইদহ শহরে একটি পেট্রোল পাম্পে তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে কথা-কাটাকাটির জেরে পাম্পের কর্মচারীদের মারধরে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (৭ মার্চ) রাত সাড়ে ৭টার দিকে শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকার তাজ ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত যুবকের নাম নিরব আহমেদ। তিনি ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বারোবাজার বাদুরগাছি গ্রামের আলিমুর বিশ্বাসের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে মোটরসাইকেলে তেল নিতে তাজ ফিলিং স্টেশনে আসেন নিরব আহমেদ। এ সময় পাম্পের কর্মচারীরা তাকে তেল দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। কিছুক্ষণ পরে নিরব আবারও পাম্পে ফিরে আসেন। তখন তিনি দেখতে পান অন্য এক ব্যক্তিকে বোতলে করে তেল দেওয়া হচ্ছে। এ নিয়ে প্রতিবাদ করলে পাম্পের কর্মচারীদের সঙ্গে তার বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়।
এক পর্যায়ে পাম্পের কয়েকজন কর্মচারী লাঠিসোঁটা দিয়ে নিরবকে মারধর করলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে পাম্প কর্মীদের মারধরে যুবক নিহত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে শহরে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে তাজ ফিলিং স্টেশনের মালিকানাধীন আরেকটি পাম্পে উত্তেজিত জনতা ভাঙচুর চালায়।
নিহত নিরব আহমেদের খালাতো ভাই সোহেল হোসেন বলেন, আমার ভাই খুবই সহজ-সরল মানুষ। মোটরসাইকেলের তেল নিতে গিয়ে পাম্পের কর্মচারীদের সঙ্গে সামান্য কথা-কাটাকাটি হয়। কিন্তু তারা সন্ত্রাসী কায়দায় লাঠিসোঁটা দিয়ে পিটিয়ে আমার ভাইকে হত্যা করেছে। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার চাই।
ঝিনাইদহ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহফুজ হোসেন বলেন, নিরব নামে এক যুবক পাম্পে তেল নিতে এসে পাম্পের কর্মচারীদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। পরে পাম্পের কর্মচারীরা তাকে মারধর করলে তিনি গুরুতর আহত হন। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় পাম্পের তিন কর্মীকে আটক করা হয়েছে এবং পাম্প এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
.png)
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মার্চ ২০২৬
ঝিনাইদহ শহরে একটি পেট্রোল পাম্পে তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে কথা-কাটাকাটির জেরে পাম্পের কর্মচারীদের মারধরে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (৭ মার্চ) রাত সাড়ে ৭টার দিকে শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকার তাজ ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত যুবকের নাম নিরব আহমেদ। তিনি ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বারোবাজার বাদুরগাছি গ্রামের আলিমুর বিশ্বাসের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে মোটরসাইকেলে তেল নিতে তাজ ফিলিং স্টেশনে আসেন নিরব আহমেদ। এ সময় পাম্পের কর্মচারীরা তাকে তেল দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। কিছুক্ষণ পরে নিরব আবারও পাম্পে ফিরে আসেন। তখন তিনি দেখতে পান অন্য এক ব্যক্তিকে বোতলে করে তেল দেওয়া হচ্ছে। এ নিয়ে প্রতিবাদ করলে পাম্পের কর্মচারীদের সঙ্গে তার বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়।
এক পর্যায়ে পাম্পের কয়েকজন কর্মচারী লাঠিসোঁটা দিয়ে নিরবকে মারধর করলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে পাম্প কর্মীদের মারধরে যুবক নিহত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে শহরে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে তাজ ফিলিং স্টেশনের মালিকানাধীন আরেকটি পাম্পে উত্তেজিত জনতা ভাঙচুর চালায়।
নিহত নিরব আহমেদের খালাতো ভাই সোহেল হোসেন বলেন, আমার ভাই খুবই সহজ-সরল মানুষ। মোটরসাইকেলের তেল নিতে গিয়ে পাম্পের কর্মচারীদের সঙ্গে সামান্য কথা-কাটাকাটি হয়। কিন্তু তারা সন্ত্রাসী কায়দায় লাঠিসোঁটা দিয়ে পিটিয়ে আমার ভাইকে হত্যা করেছে। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার চাই।
ঝিনাইদহ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহফুজ হোসেন বলেন, নিরব নামে এক যুবক পাম্পে তেল নিতে এসে পাম্পের কর্মচারীদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। পরে পাম্পের কর্মচারীরা তাকে মারধর করলে তিনি গুরুতর আহত হন। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় পাম্পের তিন কর্মীকে আটক করা হয়েছে এবং পাম্প এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন