বরিশাল-১ (গৌরনদী–আগৈলঝাড়া) আসনের রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী জহির উদ্দিন স্বপনকে ঘিরে। কেন্দ্র থেকে মনোনয়ন ঘোষণার পর থেকেই তার বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে মিথ্যাচার ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা।
দলীয় সূত্র জানায় মনোনয়ন পাওয়ার পরপরই জহির উদ্দিন স্বপন ব্যক্তিগত যোগাযোগের মাধ্যমে এলাকার আরও তিনজন মনোনয়নপ্রত্যাশীর সঙ্গে কথা বলেন। তিনি সবাইকে একসঙ্গে নির্বাচনমুখী প্রচারণা ও ধানের শীষের বিজয়ের লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। কিন্তু স্থানীয় নেতাদের দাবি, এই স্বাভাবিক রাজনৈতিক যোগাযোগকে ইচ্ছাকৃতভাবে বিকৃত করে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।
স্থানীয় নেতাকর্মী অভিযোগ করেন বরিশাল-১ আসনে মনোনয়ন না পাওয়া অন্য দুই প্রার্থী সম্মিলিতভাবে সংবাদমাধ্যমে স্বপনের বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রচারণা চালাচ্ছেন। উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এসব প্রচেষ্টার মাধ্যমে তার মনোনয়ন প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা চলছে বলেও তারা অভিযোগ করেন।
তাদের ভাষায় দলে থেকে দলের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
কিছু নেতাকর্মীর দাবি একটি প্রভাবশালী মহল কিছু সাংবাদিক ও অনলাইন পোর্টালকে প্রভাবিত করে টাকা-পয়সার বিনিময়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করাচ্ছে, যার লক্ষ্য স্বপনের সুনাম ক্ষুণ্ন করা। তারা বলেন, মিথ্যাচারেরও একটা সীমা আছে। দল যে সিদ্ধান্ত দিয়েছে, সেটাকে অমান্য করে যারা অপপ্রচার চালাচ্ছে, তারা বিএনপির আদর্শ থেকে সরে গেছেন।
গৌরনদী–আগৈলঝাড়ার সাধারণ মানুষের মত, এসব ভুয়া, যাচাইবিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদে জনগণ বিভ্রান্ত হচ্ছে না। বরং অপপ্রচার যত বাড়ছে, জহির উদ্দিন স্বপনের জনপ্রিয়তা ততই দৃঢ় হচ্ছে।
স্বপনের সমর্থকরা মনে করেন, তার জনপ্রিয়তাই কিছু মহলের ঈর্ষা ও অপতৎপরতার মূল কারণ।
তাদের বক্তব্য যত ষড়যন্ত্রই করা হোক, গৌরনদী–আগৈলঝাড়ার মানুষ স্বপন ভাইয়ের পাশে আছে। তাকে রাজনৈতিকভাবে দুর্বল করা যাবে না।
স্থানীয় বিএনপি নেতারা মনে করেন, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে কিছু ব্যক্তি যেভাবে বিভাজন তৈরি করছেন, তা সরাসরি দলের ক্ষতি করছে। তারা কেন্দ্রীয় পর্যায়ে দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।
নেতাদের মতে নির্বাচনে জয়লাভ করতে হলে ঐক্যই হলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শক্তি, আর অযাচিত অপপ্রচার দলের সমন্বয়কে দুর্বল করছে।
.png)
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ নভেম্বর ২০২৫
বরিশাল-১ (গৌরনদী–আগৈলঝাড়া) আসনের রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী জহির উদ্দিন স্বপনকে ঘিরে। কেন্দ্র থেকে মনোনয়ন ঘোষণার পর থেকেই তার বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে মিথ্যাচার ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা।
দলীয় সূত্র জানায় মনোনয়ন পাওয়ার পরপরই জহির উদ্দিন স্বপন ব্যক্তিগত যোগাযোগের মাধ্যমে এলাকার আরও তিনজন মনোনয়নপ্রত্যাশীর সঙ্গে কথা বলেন। তিনি সবাইকে একসঙ্গে নির্বাচনমুখী প্রচারণা ও ধানের শীষের বিজয়ের লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। কিন্তু স্থানীয় নেতাদের দাবি, এই স্বাভাবিক রাজনৈতিক যোগাযোগকে ইচ্ছাকৃতভাবে বিকৃত করে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।
স্থানীয় নেতাকর্মী অভিযোগ করেন বরিশাল-১ আসনে মনোনয়ন না পাওয়া অন্য দুই প্রার্থী সম্মিলিতভাবে সংবাদমাধ্যমে স্বপনের বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রচারণা চালাচ্ছেন। উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এসব প্রচেষ্টার মাধ্যমে তার মনোনয়ন প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা চলছে বলেও তারা অভিযোগ করেন।
তাদের ভাষায় দলে থেকে দলের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
কিছু নেতাকর্মীর দাবি একটি প্রভাবশালী মহল কিছু সাংবাদিক ও অনলাইন পোর্টালকে প্রভাবিত করে টাকা-পয়সার বিনিময়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করাচ্ছে, যার লক্ষ্য স্বপনের সুনাম ক্ষুণ্ন করা। তারা বলেন, মিথ্যাচারেরও একটা সীমা আছে। দল যে সিদ্ধান্ত দিয়েছে, সেটাকে অমান্য করে যারা অপপ্রচার চালাচ্ছে, তারা বিএনপির আদর্শ থেকে সরে গেছেন।
গৌরনদী–আগৈলঝাড়ার সাধারণ মানুষের মত, এসব ভুয়া, যাচাইবিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদে জনগণ বিভ্রান্ত হচ্ছে না। বরং অপপ্রচার যত বাড়ছে, জহির উদ্দিন স্বপনের জনপ্রিয়তা ততই দৃঢ় হচ্ছে।
স্বপনের সমর্থকরা মনে করেন, তার জনপ্রিয়তাই কিছু মহলের ঈর্ষা ও অপতৎপরতার মূল কারণ।
তাদের বক্তব্য যত ষড়যন্ত্রই করা হোক, গৌরনদী–আগৈলঝাড়ার মানুষ স্বপন ভাইয়ের পাশে আছে। তাকে রাজনৈতিকভাবে দুর্বল করা যাবে না।
স্থানীয় বিএনপি নেতারা মনে করেন, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে কিছু ব্যক্তি যেভাবে বিভাজন তৈরি করছেন, তা সরাসরি দলের ক্ষতি করছে। তারা কেন্দ্রীয় পর্যায়ে দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।
নেতাদের মতে নির্বাচনে জয়লাভ করতে হলে ঐক্যই হলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শক্তি, আর অযাচিত অপপ্রচার দলের সমন্বয়কে দুর্বল করছে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন