বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের রামানন্দের আঁখ গ্রামে মাটির নিচ থেকে একটি রহস্যময় কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধারকে ঘিরে এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে। গত শনিবার ১৫ মে ২০২৬ উদ্ধার হওয়া মূর্তিটি নিয়ে ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ আশপাশের এলাকায় শুরু হয়েছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। অবশেষে আজ সোমবার ১৮ মে ২০২৬ স্থানীয়দের উদ্যোগে মূর্তিটি একটি মন্দিরে স্থাপনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গ্রামের একটি স্থানে মাটি কাটার সময় হঠাৎ করেই শ্রমিকদের কোদালে শক্ত কিছু অনুভূত হয়। পরে মাটি সরিয়ে দেখা যায়, সেখানে পাথরের তৈরি একটি প্রাচীন আকৃতির মূর্তি রয়েছে। খবর দ্রুত চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক মানুষ ঘটনাস্থলে ভিড় জমাতে শুরু করেন। অনেকেই এটিকে বহু পুরনো ঐতিহাসিক নিদর্শন বলে ধারণা করছেন। আবার কেউ কেউ ধর্মীয় বিশ্বাসের সঙ্গে বিষয়টিকে মিলিয়ে দেখছেন।
গ্রামবাসীদের ভাষ্য, উদ্ধার হওয়া মূর্তিটি কষ্টিপাথরের তৈরি এবং এর গঠন ও নকশায় প্রাচীনত্বের ছাপ স্পষ্ট। মূর্তিটি দেখতে প্রতিদিনই দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ আসছেন। কেউ ছবি তুলছেন, কেউ আবার পূজা-অর্চনার প্রস্তুতির কথাও বলছেন।
স্থানীয় কয়েকজন প্রবীণ জানান, বহু বছর আগে এ এলাকায় একটি পুরনো ধর্মীয় স্থাপনা বা মন্দির ছিল বলে লোকমুখে শোনা যেত। তবে সময়ের পরিক্রমায় সেটি বিলীন হয়ে যায়। মাটির নিচ থেকে মূর্তি উদ্ধারের ঘটনাকে অনেকে সেই ইতিহাসেরই অংশ হিসেবে মনে করছেন।
এদিকে সোমবার সকালে গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উপস্থিতিতে মূর্তিটি মন্দিরে স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ উপলক্ষে এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। স্থানীয়দের কেউ কেউ বিষয়টি প্রত্নতাত্ত্বিকভাবে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন, যাতে মূর্তিটির প্রকৃত ইতিহাস ও সময়কাল সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়।
ঘটনাটি ঘিরে বর্তমানে রামানন্দের আঁখ গ্রাম এলাকায় মানুষের আগ্রহ যেন দিন দিন আরও বাড়ছে। ঐতিহ্য, ইতিহাস ও ধর্মীয় বিশ্বাস সবকিছু মিলিয়ে ছোট্ট গ্রামটি এখন পরিণত হয়েছে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।
বিষয় : গৌরনদী বরিশাল আগৈলঝাড়ায়
.png)
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬
বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের রামানন্দের আঁখ গ্রামে মাটির নিচ থেকে একটি রহস্যময় কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধারকে ঘিরে এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে। গত শনিবার ১৫ মে ২০২৬ উদ্ধার হওয়া মূর্তিটি নিয়ে ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ আশপাশের এলাকায় শুরু হয়েছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। অবশেষে আজ সোমবার ১৮ মে ২০২৬ স্থানীয়দের উদ্যোগে মূর্তিটি একটি মন্দিরে স্থাপনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গ্রামের একটি স্থানে মাটি কাটার সময় হঠাৎ করেই শ্রমিকদের কোদালে শক্ত কিছু অনুভূত হয়। পরে মাটি সরিয়ে দেখা যায়, সেখানে পাথরের তৈরি একটি প্রাচীন আকৃতির মূর্তি রয়েছে। খবর দ্রুত চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক মানুষ ঘটনাস্থলে ভিড় জমাতে শুরু করেন। অনেকেই এটিকে বহু পুরনো ঐতিহাসিক নিদর্শন বলে ধারণা করছেন। আবার কেউ কেউ ধর্মীয় বিশ্বাসের সঙ্গে বিষয়টিকে মিলিয়ে দেখছেন।
গ্রামবাসীদের ভাষ্য, উদ্ধার হওয়া মূর্তিটি কষ্টিপাথরের তৈরি এবং এর গঠন ও নকশায় প্রাচীনত্বের ছাপ স্পষ্ট। মূর্তিটি দেখতে প্রতিদিনই দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ আসছেন। কেউ ছবি তুলছেন, কেউ আবার পূজা-অর্চনার প্রস্তুতির কথাও বলছেন।
স্থানীয় কয়েকজন প্রবীণ জানান, বহু বছর আগে এ এলাকায় একটি পুরনো ধর্মীয় স্থাপনা বা মন্দির ছিল বলে লোকমুখে শোনা যেত। তবে সময়ের পরিক্রমায় সেটি বিলীন হয়ে যায়। মাটির নিচ থেকে মূর্তি উদ্ধারের ঘটনাকে অনেকে সেই ইতিহাসেরই অংশ হিসেবে মনে করছেন।
এদিকে সোমবার সকালে গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উপস্থিতিতে মূর্তিটি মন্দিরে স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ উপলক্ষে এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। স্থানীয়দের কেউ কেউ বিষয়টি প্রত্নতাত্ত্বিকভাবে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন, যাতে মূর্তিটির প্রকৃত ইতিহাস ও সময়কাল সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়।
ঘটনাটি ঘিরে বর্তমানে রামানন্দের আঁখ গ্রাম এলাকায় মানুষের আগ্রহ যেন দিন দিন আরও বাড়ছে। ঐতিহ্য, ইতিহাস ও ধর্মীয় বিশ্বাস সবকিছু মিলিয়ে ছোট্ট গ্রামটি এখন পরিণত হয়েছে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন