সম্প্রতি সচিবালয় থেকে রাজধানীর গুলশানে নিজের বাসভবনে যাওয়ার পথে গাড়িতে বসে ফোনে কথা বলতে দেখা যায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কে। সেই সময় ক্যামেরায় ধরা পড়ে তার ব্যবহৃত একটি ভিন্নধর্মী স্মার্টফোন। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও প্রযুক্তি মহলে ফোনটি নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা।
অনলাইনে অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর হাতে দেখা যাওয়া ফোনটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান Sirin Labs–এর তৈরি Sirin Finney মডেলের একটি স্মার্টফোন। এটি বিশ্বের প্রথম ব্লকচেইন প্রযুক্তিনির্ভর স্মার্টফোনগুলোর মধ্যে অন্যতম। ফোনটি প্রথম বাজারে আসে ২০১৮ সালের মে মাসে এবং একই বছরের শেষ দিকে প্রযুক্তিপ্রেমীদের মধ্যে বেশ আলোচনায় আসে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্লকচেইন প্রযুক্তির কারণে এই ফোনে সংরক্ষিত তথ্য বিকৃত করা প্রায় অসম্ভব। ফলে তথ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এটি অন্যান্য সাধারণ স্মার্টফোনের তুলনায় অনেক বেশি সুরক্ষিত।
ফোনটিতে রয়েছে স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসর এবং সিরিন ল্যাবসের নিজস্ব সিরিন অপারেটিং সিস্টেম। তবে এর সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য এর উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ফোনটিতে একটি গোপন বা সেকেন্ডারি স্ক্রিন রয়েছে, যা ব্যবহারকারীর জন্য অতিরিক্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করে।
ফোনটি চালু করতে গেলে প্রথমে উপরের অংশ থেকে একটি আলাদা সিকিউরিটি স্ক্রিন বের হয়ে আসে। এরপর দুইটি স্ক্রিনে প্রদর্শিত নিরাপত্তা কোড মিলিয়ে যাচাই করার পরই মূল ফোন ব্যবহার করা সম্ভব হয়। এই ডাবল সিকিউরিটি ব্যবস্থার কারণে ফোনটি হ্যাক হওয়ার ঝুঁকি অত্যন্ত কম বলে দাবি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের।
এছাড়াও ফোনটিতে রয়েছে একটি কোল্ড স্টোরেজ ক্রিপ্টোকারেন্সি ওয়ালেট, যা অ্যান্ড্রয়েড সফটওয়্যার ও ইন্টারনেট থেকে আলাদা থাকে। ফলে ক্রিপ্টোকারেন্সি নিরাপদে সংরক্ষণ করা যায়। পাশাপাশি এতে টোকেন কনভার্সন সার্ভিস (TCS) থাকায় অনলাইন এক্সচেঞ্জ ছাড়াই সরাসরি ক্রিপ্টোকারেন্সি আদান-প্রদান করা সম্ভব।
দামের দিক থেকেও ফোনটি বেশ ব্যয়বহুল। সিরিন ল্যাবসের এই নিরাপত্তা–নির্ভর স্মার্টফোনের দাম সাধারণত প্রায় ৯৯৯ থেকে ৩৫০০ মার্কিন ডলার পর্যন্ত হয়ে থাকে। বর্তমানে এই ফোনটি বাজারে নতুন অবস্থায় খুব একটা পাওয়া যায় না, তবে সীমিত পরিসরে সেকেন্ড হ্যান্ড বাজারে এখনও মিলতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, রাষ্ট্রপ্রধানদের তথ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের উচ্চ নিরাপত্তা–সম্পন্ন স্মার্টফোন ব্যবহারের প্রবণতা বিশ্বজুড়েই রয়েছে।
বিষয় : BNP প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
.png)
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মার্চ ২০২৬
সম্প্রতি সচিবালয় থেকে রাজধানীর গুলশানে নিজের বাসভবনে যাওয়ার পথে গাড়িতে বসে ফোনে কথা বলতে দেখা যায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কে। সেই সময় ক্যামেরায় ধরা পড়ে তার ব্যবহৃত একটি ভিন্নধর্মী স্মার্টফোন। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও প্রযুক্তি মহলে ফোনটি নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা।
অনলাইনে অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর হাতে দেখা যাওয়া ফোনটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান Sirin Labs–এর তৈরি Sirin Finney মডেলের একটি স্মার্টফোন। এটি বিশ্বের প্রথম ব্লকচেইন প্রযুক্তিনির্ভর স্মার্টফোনগুলোর মধ্যে অন্যতম। ফোনটি প্রথম বাজারে আসে ২০১৮ সালের মে মাসে এবং একই বছরের শেষ দিকে প্রযুক্তিপ্রেমীদের মধ্যে বেশ আলোচনায় আসে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্লকচেইন প্রযুক্তির কারণে এই ফোনে সংরক্ষিত তথ্য বিকৃত করা প্রায় অসম্ভব। ফলে তথ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এটি অন্যান্য সাধারণ স্মার্টফোনের তুলনায় অনেক বেশি সুরক্ষিত।
ফোনটিতে রয়েছে স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসর এবং সিরিন ল্যাবসের নিজস্ব সিরিন অপারেটিং সিস্টেম। তবে এর সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য এর উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ফোনটিতে একটি গোপন বা সেকেন্ডারি স্ক্রিন রয়েছে, যা ব্যবহারকারীর জন্য অতিরিক্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করে।
ফোনটি চালু করতে গেলে প্রথমে উপরের অংশ থেকে একটি আলাদা সিকিউরিটি স্ক্রিন বের হয়ে আসে। এরপর দুইটি স্ক্রিনে প্রদর্শিত নিরাপত্তা কোড মিলিয়ে যাচাই করার পরই মূল ফোন ব্যবহার করা সম্ভব হয়। এই ডাবল সিকিউরিটি ব্যবস্থার কারণে ফোনটি হ্যাক হওয়ার ঝুঁকি অত্যন্ত কম বলে দাবি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের।
এছাড়াও ফোনটিতে রয়েছে একটি কোল্ড স্টোরেজ ক্রিপ্টোকারেন্সি ওয়ালেট, যা অ্যান্ড্রয়েড সফটওয়্যার ও ইন্টারনেট থেকে আলাদা থাকে। ফলে ক্রিপ্টোকারেন্সি নিরাপদে সংরক্ষণ করা যায়। পাশাপাশি এতে টোকেন কনভার্সন সার্ভিস (TCS) থাকায় অনলাইন এক্সচেঞ্জ ছাড়াই সরাসরি ক্রিপ্টোকারেন্সি আদান-প্রদান করা সম্ভব।
দামের দিক থেকেও ফোনটি বেশ ব্যয়বহুল। সিরিন ল্যাবসের এই নিরাপত্তা–নির্ভর স্মার্টফোনের দাম সাধারণত প্রায় ৯৯৯ থেকে ৩৫০০ মার্কিন ডলার পর্যন্ত হয়ে থাকে। বর্তমানে এই ফোনটি বাজারে নতুন অবস্থায় খুব একটা পাওয়া যায় না, তবে সীমিত পরিসরে সেকেন্ড হ্যান্ড বাজারে এখনও মিলতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, রাষ্ট্রপ্রধানদের তথ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের উচ্চ নিরাপত্তা–সম্পন্ন স্মার্টফোন ব্যবহারের প্রবণতা বিশ্বজুড়েই রয়েছে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন