বরিশাল নগরীতে হঠাৎ করেই এলপিজি (LPG) গ্যাসের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে বাসাবাড়ির গৃহিণীরা। গত দুই দিন ধরে নগরীর অধিকাংশ খুচরা দোকানে গ্যাস না পাওয়ায় দৈনন্দিন রান্নাবান্না ব্যাহত হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, নগরীর বেশিরভাগ দোকানেই গ্যাসের সরবরাহ নেই। কোথাও কোথাও অল্প পরিমাণে পাওয়া গেলেও তা বিক্রি হচ্ছে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি দামে। এতে করে ভোক্তাদের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে।
নগরীর নতুনবাজার এলাকার একটি দোকানে গিয়ে দেখা যায়, আগে ১৫০০ টাকায় বিক্রি হওয়া একটি গ্যাস সিলিন্ডার এখন পাইকারি পর্যায়ে ১৮৫০ টাকায় কেনা হচ্ছে। খুচরা পর্যায়ে সেটিই বিক্রি করা হচ্ছে ১৯০০ টাকা পর্যন্ত।
দোকানিদের দাবি, সরবরাহকারী কোম্পানিগুলোই দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে এবং পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ করছে না। তবে ক্রয়ের রশিদ বা নির্ধারিত মূল্য জানতে চাইলে অনেকেই স্পষ্ট তথ্য দিতে পারেননি। এমনকি আগের কম দামে কেনা গ্যাসও নতুন বাড়তি দামে বিক্রি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এদিকে ভোক্তাদের অভিযোগের পর নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর-এর বিভাগীয় পরিচালক জানিয়েছেন, কেউ অভিযোগ করলে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল জেলা প্রশাসকও জানিয়েছেন, নির্ধারিত মূল্যের বেশি দামে গ্যাস বিক্রির কোনো সুযোগ নেই। কেউ অতিরিক্ত দামে বিক্রি করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করা এবং বাজারে কার্যকর মনিটরিং জোরদারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী নগরবাসী।
বিষয় : বরিশাল
.png)
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬
বরিশাল নগরীতে হঠাৎ করেই এলপিজি (LPG) গ্যাসের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে বাসাবাড়ির গৃহিণীরা। গত দুই দিন ধরে নগরীর অধিকাংশ খুচরা দোকানে গ্যাস না পাওয়ায় দৈনন্দিন রান্নাবান্না ব্যাহত হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, নগরীর বেশিরভাগ দোকানেই গ্যাসের সরবরাহ নেই। কোথাও কোথাও অল্প পরিমাণে পাওয়া গেলেও তা বিক্রি হচ্ছে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি দামে। এতে করে ভোক্তাদের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে।
নগরীর নতুনবাজার এলাকার একটি দোকানে গিয়ে দেখা যায়, আগে ১৫০০ টাকায় বিক্রি হওয়া একটি গ্যাস সিলিন্ডার এখন পাইকারি পর্যায়ে ১৮৫০ টাকায় কেনা হচ্ছে। খুচরা পর্যায়ে সেটিই বিক্রি করা হচ্ছে ১৯০০ টাকা পর্যন্ত।
দোকানিদের দাবি, সরবরাহকারী কোম্পানিগুলোই দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে এবং পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ করছে না। তবে ক্রয়ের রশিদ বা নির্ধারিত মূল্য জানতে চাইলে অনেকেই স্পষ্ট তথ্য দিতে পারেননি। এমনকি আগের কম দামে কেনা গ্যাসও নতুন বাড়তি দামে বিক্রি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এদিকে ভোক্তাদের অভিযোগের পর নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর-এর বিভাগীয় পরিচালক জানিয়েছেন, কেউ অভিযোগ করলে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল জেলা প্রশাসকও জানিয়েছেন, নির্ধারিত মূল্যের বেশি দামে গ্যাস বিক্রির কোনো সুযোগ নেই। কেউ অতিরিক্ত দামে বিক্রি করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করা এবং বাজারে কার্যকর মনিটরিং জোরদারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী নগরবাসী।
.png)
আপনার মতামত লিখুন