অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও ওয়ান-ইলেভেন সময়কার নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেনকে যেকোনো সময় গ্রেপ্তার করা হতে পারে বলে জানা গেছে। তার বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বিতর্কিত বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ রয়েছে, ওয়ান-ইলেভেনের সময় তিনি কুচক্রী মহলের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা, রাজনৈতিক প্রভাব খাটানো এবং একটি বড় দলের ভাঙনের অপচেষ্টায় ভূমিকা রাখেন। এছাড়া ২০০৮ সালের নির্বাচনে অতিরিক্ত ব্যালট পেপার ছাপানোর মতো গুরুতর অভিযোগও তার বিরুদ্ধে তদন্তাধীন রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, সে সময় তিনি প্রভাবশালী কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে সরাসরি প্রভাব বিস্তার করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ব্যালট পেপারের নকশা ও ছাপানোর তথ্য অন্য সংশ্লিষ্টদের কাছে সরবরাহের বিষয়েও তার সম্পৃক্ততা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এদিকে সম্প্রতি মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী এবং শেখ মামুন খালেদ গ্রেপ্তারের পর নতুন করে সাখাওয়াত হোসেনকে ঘিরে বিভিন্ন তথ্য সামনে আসছে।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরে তার পুত্রের প্রভাব বিস্তার এবং এর ফলে সৃষ্ট অচলাবস্থার অভিযোগ নিয়েও তদন্ত হতে পারে বলে জানা গেছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তদন্ত শেষ হলে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
.png)
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬
অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও ওয়ান-ইলেভেন সময়কার নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেনকে যেকোনো সময় গ্রেপ্তার করা হতে পারে বলে জানা গেছে। তার বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বিতর্কিত বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ রয়েছে, ওয়ান-ইলেভেনের সময় তিনি কুচক্রী মহলের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা, রাজনৈতিক প্রভাব খাটানো এবং একটি বড় দলের ভাঙনের অপচেষ্টায় ভূমিকা রাখেন। এছাড়া ২০০৮ সালের নির্বাচনে অতিরিক্ত ব্যালট পেপার ছাপানোর মতো গুরুতর অভিযোগও তার বিরুদ্ধে তদন্তাধীন রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, সে সময় তিনি প্রভাবশালী কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে সরাসরি প্রভাব বিস্তার করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ব্যালট পেপারের নকশা ও ছাপানোর তথ্য অন্য সংশ্লিষ্টদের কাছে সরবরাহের বিষয়েও তার সম্পৃক্ততা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এদিকে সম্প্রতি মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী এবং শেখ মামুন খালেদ গ্রেপ্তারের পর নতুন করে সাখাওয়াত হোসেনকে ঘিরে বিভিন্ন তথ্য সামনে আসছে।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরে তার পুত্রের প্রভাব বিস্তার এবং এর ফলে সৃষ্ট অচলাবস্থার অভিযোগ নিয়েও তদন্ত হতে পারে বলে জানা গেছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তদন্ত শেষ হলে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
.png)
আপনার মতামত লিখুন