বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বার্থী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বড় দুলালী গ্রামে বসতভিটার জমির মালিকানা নিয়ে প্রবাসী মো. নাসির উদ্দিন বয়াতীর সঙ্গে তার চাচাতো ভাইদের বিরোধের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় নবস্থাপিত একটি গভীর নলকূপ (পানির কল) খুলে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগকারী মো. নাসির উদ্দিন বয়াতী জানান, দীর্ঘদিন ধরে তিনি তার অংশের জমি ভোগদখল করে আসছেন। সম্প্রতি ওই জমিতে একটি গভীর নলকূপ স্থাপন করলে তার চাচাতো ভাই রব বয়াতী, মজিবুর বয়াতী, আব্দুল হাই বয়াতী (পিতা: দেরাজ উদ্দিন বয়াতী) এবং জসিম বয়াতী (পিতা: রব বয়াতী) এতে বাধা দেন। একপর্যায়ে মজিবুর বয়াতী নলকূপটি খুলে নিয়ে যান বলে অভিযোগ করেন তিনি।
নাসির উদ্দিনের দাবি, মোট ১৪ শতাংশ জমির মধ্যে তিনি বর্তমানে ৮ শতাংশ ভোগদখলে রয়েছেন এবং অবশিষ্ট ৬ শতাংশ জমি মজিবুর বয়াতীসহ অপর পক্ষ ভোগ করছেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, বাড়িতে ভবন নির্মাণের সময় তার কাছে চাঁদা দাবি করা হয়েছিল এবং তিনি তা পরিশোধ করেছিলেন। তবে নলকূপ স্থাপনের সময় পুনরায় টাকা দাবি করা হলে তিনি তা দিতে অস্বীকৃতি জানান। এরপর থেকেই বিরোধের সূত্রপাত হয়েছে বলে দাবি তার।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত রব বয়াতী ও জসিম বয়াতীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। রব বয়াতীর স্ত্রীও এ বিষয়ে কথা বলতে চাননি।
অপর অভিযুক্ত মজিবুর বয়াতী মোবাইল ফোনে বলেন, এলাকার মুরব্বিরা (মাতব্বররা) কলটি সরিয়ে নিতে বলেছিলেন। সকাল ১০টার মধ্যে সরানো না হলে ভেঙে ফেলারও কথা বলা হয়েছিল।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণ এবং আইনগতভাবে সুষ্ঠু সমাধান নিশ্চিত করা হোক।
উল্লেখ্য, জমির মালিকানা ও নলকূপ খুলে নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত বা আদালতের কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো জানা যায়নি।
.png)
রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুলাই ২০২৬
বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বার্থী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বড় দুলালী গ্রামে বসতভিটার জমির মালিকানা নিয়ে প্রবাসী মো. নাসির উদ্দিন বয়াতীর সঙ্গে তার চাচাতো ভাইদের বিরোধের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় নবস্থাপিত একটি গভীর নলকূপ (পানির কল) খুলে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগকারী মো. নাসির উদ্দিন বয়াতী জানান, দীর্ঘদিন ধরে তিনি তার অংশের জমি ভোগদখল করে আসছেন। সম্প্রতি ওই জমিতে একটি গভীর নলকূপ স্থাপন করলে তার চাচাতো ভাই রব বয়াতী, মজিবুর বয়াতী, আব্দুল হাই বয়াতী (পিতা: দেরাজ উদ্দিন বয়াতী) এবং জসিম বয়াতী (পিতা: রব বয়াতী) এতে বাধা দেন। একপর্যায়ে মজিবুর বয়াতী নলকূপটি খুলে নিয়ে যান বলে অভিযোগ করেন তিনি।
নাসির উদ্দিনের দাবি, মোট ১৪ শতাংশ জমির মধ্যে তিনি বর্তমানে ৮ শতাংশ ভোগদখলে রয়েছেন এবং অবশিষ্ট ৬ শতাংশ জমি মজিবুর বয়াতীসহ অপর পক্ষ ভোগ করছেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, বাড়িতে ভবন নির্মাণের সময় তার কাছে চাঁদা দাবি করা হয়েছিল এবং তিনি তা পরিশোধ করেছিলেন। তবে নলকূপ স্থাপনের সময় পুনরায় টাকা দাবি করা হলে তিনি তা দিতে অস্বীকৃতি জানান। এরপর থেকেই বিরোধের সূত্রপাত হয়েছে বলে দাবি তার।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত রব বয়াতী ও জসিম বয়াতীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। রব বয়াতীর স্ত্রীও এ বিষয়ে কথা বলতে চাননি।
অপর অভিযুক্ত মজিবুর বয়াতী মোবাইল ফোনে বলেন, এলাকার মুরব্বিরা (মাতব্বররা) কলটি সরিয়ে নিতে বলেছিলেন। সকাল ১০টার মধ্যে সরানো না হলে ভেঙে ফেলারও কথা বলা হয়েছিল।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণ এবং আইনগতভাবে সুষ্ঠু সমাধান নিশ্চিত করা হোক।
উল্লেখ্য, জমির মালিকানা ও নলকূপ খুলে নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত বা আদালতের কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো জানা যায়নি।
.png)
আপনার মতামত লিখুন