এনসিপি থেকে অব্যাহতি পাওয়া মুনতাসির মাহমুদের অভিযোগ: ছাত্র উপদেষ্টারাই ‘জুলাই বিক্রির’ প্রধান দায়ী
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে স্থায়ী অব্যাহতি পাওয়া কেন্দ্রীয় সংগঠক মুনতাসির মাহমুদ অভিযোগ করেছেন যে, বাংলাদেশে “জুলাইকে বিক্রি করে দিয়েছে” ছাত্র উপদেষ্টারা। শুক্রবার গভীর রাতে নিজের ফেসবুক লাইভে এ অভিযোগ করেন তিনি।
মুনতাসির দাবি করেন, ছাত্র উপদেষ্টারাই সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি করেছে এবং তাদের হাতে ছিল “অ্যাবসুলেট পাওয়ার”। বিভিন্ন সময় ডিসি, ওসি, পেট্রোবাংলা, এসেনশিয়াল ড্রাগসসহ গুরুত্বপূর্ণ পদে লোকজন বসাতে তারা কোটি টাকার বাণিজ্য করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেনের বিরুদ্ধেও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে মুনতাসির বলেন, পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) নিয়োগে ৫০ লাখ টাকা দাবি করা হতো। নরসিংদীর শিরিন আক্তার শেলীর নাম সুপারিশ করা হলেও টাকার বিনিময়ে তা বাতিলের চেষ্টা হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি। পরে আসিফ নজরুলের হস্তক্ষেপে শিরিন শেলী পিপি হিসেবে নিয়োগ পান।
মুনতাসির বলেন, পিপি নিয়োগের পর আখতারের পক্ষ থেকে শিরিন আক্তারের কাছে ৫০ লাখ টাকা দাবি করা হয় এবং মাত্র এক লাখ টাকা দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়।
তিনি দাবি করেন, এসব দুর্নীতির তথ্য প্রকাশ করায় তার জীবন এখন ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। তবুও তিনি এনসিপির অন্যান্য দুর্নীতির কথাও প্রকাশ করার ঘোষণা দেন।
বিষয় : NCP
.png)
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ নভেম্বর ২০২৫
এনসিপি থেকে অব্যাহতি পাওয়া মুনতাসির মাহমুদের অভিযোগ: ছাত্র উপদেষ্টারাই ‘জুলাই বিক্রির’ প্রধান দায়ী
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে স্থায়ী অব্যাহতি পাওয়া কেন্দ্রীয় সংগঠক মুনতাসির মাহমুদ অভিযোগ করেছেন যে, বাংলাদেশে “জুলাইকে বিক্রি করে দিয়েছে” ছাত্র উপদেষ্টারা। শুক্রবার গভীর রাতে নিজের ফেসবুক লাইভে এ অভিযোগ করেন তিনি।
মুনতাসির দাবি করেন, ছাত্র উপদেষ্টারাই সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি করেছে এবং তাদের হাতে ছিল “অ্যাবসুলেট পাওয়ার”। বিভিন্ন সময় ডিসি, ওসি, পেট্রোবাংলা, এসেনশিয়াল ড্রাগসসহ গুরুত্বপূর্ণ পদে লোকজন বসাতে তারা কোটি টাকার বাণিজ্য করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেনের বিরুদ্ধেও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে মুনতাসির বলেন, পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) নিয়োগে ৫০ লাখ টাকা দাবি করা হতো। নরসিংদীর শিরিন আক্তার শেলীর নাম সুপারিশ করা হলেও টাকার বিনিময়ে তা বাতিলের চেষ্টা হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি। পরে আসিফ নজরুলের হস্তক্ষেপে শিরিন শেলী পিপি হিসেবে নিয়োগ পান।
মুনতাসির বলেন, পিপি নিয়োগের পর আখতারের পক্ষ থেকে শিরিন আক্তারের কাছে ৫০ লাখ টাকা দাবি করা হয় এবং মাত্র এক লাখ টাকা দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়।
তিনি দাবি করেন, এসব দুর্নীতির তথ্য প্রকাশ করায় তার জীবন এখন ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। তবুও তিনি এনসিপির অন্যান্য দুর্নীতির কথাও প্রকাশ করার ঘোষণা দেন।
.png)
আপনার মতামত লিখুন