বরিশালের গৌরনদী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী টরকি বন্দরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সড়ক খালপাড় রোডের ফুলতলা থেকে ট্রাক স্ট্যান্ডের সামনে পর্যন্ত দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় রয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কজুড়ে কাদা, জলাবদ্ধতা ও অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় চলাচল প্রায় অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ফলে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে ব্যবসায়ী, পথচারী, শিক্ষার্থী, যানবাহনের চালক এবং সাধারণ মানুষকে।
সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির পানি জমে থাকায় গর্তগুলো চোখে পড়ে না। এতে অটোরিকশা, ভ্যান, মোটরসাইকেল ও পণ্যবাহী যানবাহন চলাচলে প্রতিনিয়ত ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। অনেক সময় যানবাহন কাদায় আটকে পড়ছে, আবার কেউ কেউ ভারসাম্য হারিয়ে দুর্ঘটনারও শিকার হচ্ছেন।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, টরকি বন্দর দক্ষিণাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক কেন্দ্র। প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে অসংখ্য ব্যবসায়ী ও ক্রেতা এখানে আসেন। কিন্তু বন্দরের প্রধান সড়কের এমন বেহাল অবস্থা দেখে অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন। কাদা-পানি মাড়িয়ে দোকানে যেতে হওয়ায় ব্যবসায়িক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে এবং পণ্য পরিবহনেও অতিরিক্ত সময় ও খরচ গুনতে হচ্ছে।
পথচারীরা বলেন, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, নারী, বয়স্ক ব্যক্তি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ প্রতিদিন এই সড়ক ব্যবহার করেন। বর্ষা মৌসুমে কাদা ও জলাবদ্ধতার কারণে চলাচল অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়ে। অনেকেই পিছলে পড়ে আহত হওয়ার আশঙ্কায় ভোগেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রায় দুই বছর আগে সড়কটির সংস্কার কাজের অনুমোদন (পাস) হয়েছে বলে তারা জানতে পেরেছেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় পার হলেও এখন পর্যন্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ শুরু করেনি। অবহেলা, প্রশাসনিক জটিলতা নাকি অন্য কোনো কারণে কাজ শুরু হচ্ছে না সেটিও তাদের জানা নেই। এতে এলাকাবাসীর মধ্যে চরম হতাশা বিরাজ করছে। তারা দ্রুত ঠিকাদারকে কাজ শুরু করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সড়কটির সংস্কার সম্পন্ন করার দাবি জানান।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, টরকি বন্দর গৌরনদীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসা ও যোগাযোগের কেন্দ্র হওয়ায় এই সড়কটির দ্রুত সংস্কার অত্যন্ত জরুরি। সড়কটি সংস্কার হলে যেমন জনদুর্ভোগ কমবে, তেমনি ব্যবসা-বাণিজ্য, পণ্য পরিবহন ও সার্বিক যোগাযোগ ব্যবস্থারও উন্নতি হবে।
এলাকাবাসী, ব্যবসায়ী ও পথচারীরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করে দ্রুত সড়কটির সংস্কারকাজ শুরু ও সম্পন্ন করার জোর দাবি জানিয়েছেন, যাতে দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটে এবং টরকি বন্দরের স্বাভাবিক ব্যবসায়িক পরিবেশ ফিরে আসে।
.png)
শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুলাই ২০২৬
বরিশালের গৌরনদী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী টরকি বন্দরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সড়ক খালপাড় রোডের ফুলতলা থেকে ট্রাক স্ট্যান্ডের সামনে পর্যন্ত দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় রয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কজুড়ে কাদা, জলাবদ্ধতা ও অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় চলাচল প্রায় অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ফলে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে ব্যবসায়ী, পথচারী, শিক্ষার্থী, যানবাহনের চালক এবং সাধারণ মানুষকে।
সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির পানি জমে থাকায় গর্তগুলো চোখে পড়ে না। এতে অটোরিকশা, ভ্যান, মোটরসাইকেল ও পণ্যবাহী যানবাহন চলাচলে প্রতিনিয়ত ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। অনেক সময় যানবাহন কাদায় আটকে পড়ছে, আবার কেউ কেউ ভারসাম্য হারিয়ে দুর্ঘটনারও শিকার হচ্ছেন।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, টরকি বন্দর দক্ষিণাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক কেন্দ্র। প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে অসংখ্য ব্যবসায়ী ও ক্রেতা এখানে আসেন। কিন্তু বন্দরের প্রধান সড়কের এমন বেহাল অবস্থা দেখে অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন। কাদা-পানি মাড়িয়ে দোকানে যেতে হওয়ায় ব্যবসায়িক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে এবং পণ্য পরিবহনেও অতিরিক্ত সময় ও খরচ গুনতে হচ্ছে।
পথচারীরা বলেন, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, নারী, বয়স্ক ব্যক্তি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ প্রতিদিন এই সড়ক ব্যবহার করেন। বর্ষা মৌসুমে কাদা ও জলাবদ্ধতার কারণে চলাচল অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়ে। অনেকেই পিছলে পড়ে আহত হওয়ার আশঙ্কায় ভোগেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রায় দুই বছর আগে সড়কটির সংস্কার কাজের অনুমোদন (পাস) হয়েছে বলে তারা জানতে পেরেছেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় পার হলেও এখন পর্যন্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ শুরু করেনি। অবহেলা, প্রশাসনিক জটিলতা নাকি অন্য কোনো কারণে কাজ শুরু হচ্ছে না সেটিও তাদের জানা নেই। এতে এলাকাবাসীর মধ্যে চরম হতাশা বিরাজ করছে। তারা দ্রুত ঠিকাদারকে কাজ শুরু করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সড়কটির সংস্কার সম্পন্ন করার দাবি জানান।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, টরকি বন্দর গৌরনদীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসা ও যোগাযোগের কেন্দ্র হওয়ায় এই সড়কটির দ্রুত সংস্কার অত্যন্ত জরুরি। সড়কটি সংস্কার হলে যেমন জনদুর্ভোগ কমবে, তেমনি ব্যবসা-বাণিজ্য, পণ্য পরিবহন ও সার্বিক যোগাযোগ ব্যবস্থারও উন্নতি হবে।
এলাকাবাসী, ব্যবসায়ী ও পথচারীরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করে দ্রুত সড়কটির সংস্কারকাজ শুরু ও সম্পন্ন করার জোর দাবি জানিয়েছেন, যাতে দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটে এবং টরকি বন্দরের স্বাভাবিক ব্যবসায়িক পরিবেশ ফিরে আসে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন